ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় নিষিদ্ধ যুবলীগের ঝটিকা মিছিল, ফেসবুকে ভিডিও ছড়িয়ে চাঞ্চল্য
সারাদেশ · 2026-11-06T10:19:03.000000Z · সিনিয়র রিপোর্টার
কুমিল্লা-সিলেট মহাসড়কে হঠাৎ একত্রিত হয়ে ঝটিকা মিছিল করেছেন কার্যক্রম নিষিদ্ধ সংগঠন বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগের নেতাকর্মীরা। এতে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রত্যাবর্তনকে স্বাগত জানানোর পাশাপাশি কারাবন্দী নেতাকর্মীদের মুক্তির দাবিতে স্লোগান দেওয়া হয়।শুক্রবার (৬ নভেম্বর) সকালে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলার মালিহাতা এলাকায় এই মিছিল অনুষ্ঠিত হয়।পরবর্তীতে শুক্রবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা আওয়ামী লীগের উপদপ্তর সম্পাদক সুজন দত্ত তাঁর ব্যক্তিগত ফেসবুক আইডিতে মিছিলের একটি ভিডিও পোস্ট করলে তা দ্রুত সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে এবং স্থানীয় রাজনৈতিক অঙ্গনে ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি করে।ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে দেখা যায়, ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক ভিপি অ্যাডভোকেট সিরাজুল ইসলাম ফেরদৌসের নেতৃত্বে অর্ধশতাধিক নেতাকর্মী ব্যানার নিয়ে মহাসড়কে মিছিল করছেন।মিছিলের ব্যানার ও স্লোগানে সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তনকে স্বাগত জানানো হয়। এছাড়া যুবলীগের কেন্দ্রীয় সভাপতি শেখ ফজলে শামস পরশ ও সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হোসেন খান নিখিলের বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলা প্রত্যাহারের দাবি জানান তারা।মিছিল চলাকালে নেতাকর্মীরা ‘জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু’ এবং ‘শেখ হাসিনা আসবে, বাংলাদেশ হাসবে’সহ বিভিন্ন স্লোগান দেন। একই সঙ্গে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও যুদ্ধাহত বীর মুক্তিযোদ্ধা র আ ম উবায়দুল মোকতাদির চৌধুরীসহ কারাবন্দী অন্যান্য নেতাকর্মীদের অবিলম্বে মুক্তির দাবি জানানো হয়।ঝটিকা এই মিছিলে জেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট সিরাজুল ইসলাম ফেরদৌস ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন— সদর উপজেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক জসিম উদ্দিন রানা, জেলা ছাত্রলীগের সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও যুবনেতা মমিন হোসেন, সরাইল উপজেলা যুবলীগ নেতা শেখ মো. মুন্না, সদর উপজেলা যুবলীগ নেতা রেজাউল হক এবং জেলা ছাত্রলীগের সহসভাপতি কাজী আশিকুর রহমানসহ জেলা ও উপজেলার বিভিন্ন স্তরের নেতাকর্মীরা।এদিকে, দিনদুপুরে প্রকাশ্যে মহাসড়কে নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠনের এমন মিছিলের ঘটনায় এলাকায় মিশ্র প্রতিক্রিয়া ও চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। তবে এ বিষয়ে এখন পর্যন্ত আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি।