২৯৩ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সবাই ফেল
শিক্ষা · 2026-10-31T06:38:00.000000Z · ডেস্ক রিপোর্ট
শনিবার প্রকাশিত ফলাফলে শূন্য পাসের প্রতিষ্ঠানের তথ্য; ১ থেকে ৭ নভেম্বর পর্যন্ত ফল পুনর্নিরীক্ষণের আবেদন করা যাবে
চলতি বছরের উচ্চমাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) ও সমমান পরীক্ষায় দেশের ২৯৩টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের কোনো শিক্ষার্থী পাস করতে পারেননি। শনিবার (৩১ অক্টোবর) প্রকাশিত ফলাফলে এ তথ্য উঠে এসেছে। একই দিন দেশের ১১টি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে অনুষ্ঠিত এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হয়।
শনিবার সচিবালয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে ফল প্রকাশের কার্যক্রম উদ্বোধন করেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। উদ্বোধনের সঙ্গে সঙ্গে নিজ নিজ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও অনলাইনে একযোগে ফল প্রকাশ করা হয়। এবার ১১টি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে মোট ১২ লাখ ৭০ হাজার ৫৮৩ জন পরীক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার জন্য নিবন্ধন করেছিলেন।
আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটি জানিয়েছে, ফল প্রকাশের পর শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো নিজেদের ফলাফলের শিট অনলাইন থেকে ডাউনলোড করতে পারবে। এ জন্য eduboardresults.gov.bd এবং educationboardresults.gov.bd ওয়েবসাইটে প্রবেশ করে ‘Result’ কর্নারে যেতে হবে। এরপর সংশ্লিষ্ট শিক্ষা বোর্ড নির্বাচন করে প্রতিষ্ঠানের EIIN নম্বর ব্যবহার করে ফলাফল সংগ্রহ করা যাবে।
পরীক্ষার্থীরা নিজ নিজ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে ফল সংগ্রহ করতে পারবেন। এ ছাড়া শিক্ষা বোর্ডগুলোর ওয়েবসাইট এবং নির্ধারিত দুটি কেন্দ্রীয় ওয়েবসাইট থেকেও ফল জানা যাবে।
মোবাইল ফোনে এসএমএসের মাধ্যমে ফল জানতে মেসেজ অপশনে গিয়ে HSC লিখে একটি স্পেস দিতে হবে। এরপর বোর্ডের নামের প্রথম তিন অক্ষর, আবার স্পেস দিয়ে রোল নম্বর এবং পরীক্ষার বছর লিখে ১৬১৪০ নম্বরে পাঠাতে হবে। উদাহরণ হিসেবে HSC Dha 123456 2026 লিখে ১৬১৪০ নম্বরে পাঠাতে হবে।
আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটি জানিয়েছে, শিক্ষাবোর্ড, শিক্ষা মন্ত্রণালয় বা পত্রিকা অফিসে সরাসরি কোনো ফলাফল পাওয়া যাবে না। ফল পুনর্নিরীক্ষণের জন্য আগামী ১ থেকে ৭ নভেম্বর পর্যন্ত অনলাইনে আবেদন করা যাবে। আবেদনপ্রক্রিয়া ও প্রয়োজনীয় নির্দেশনা সংশ্লিষ্ট শিক্ষা বোর্ডগুলোর ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হয়েছে।
এর আগে গত ২ জুলাই দেশের ৯টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ড, বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ড এবং বাংলাদেশ মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের অধীনে এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা শুরু হয়। ৮ আগস্ট লিখিত পরীক্ষা শেষ হওয়ার কথা থাকলেও প্রাকৃতিক দুর্যোগ ও বন্যার কারণে চট্টগ্রামসহ কয়েকটি শিক্ষা বোর্ডের কিছু পরীক্ষা স্থগিত করা হয়। পরে স্থগিত পরীক্ষাগুলো নেওয়া হয়। ১৫ আগস্টের মধ্যে ব্যবহারিক পরীক্ষা শেষ হয়।