সাঁথিয়ায় জাতীয় যুব দিবসে মাছের পোনা অবমুক্ত ও শতাধিক শিক্ষার্থীর মাঝে গাছের চারা বিতরণ
সারাদেশ · 2026-11-05T07:12:13.000000Z · স্টাফ রিপোর্টার
জাতীয় যুব দিবস ২০২৬ উদযাপন উপলক্ষে এক সপ্তাহব্যাপী কর্মসূচির চতুর্থ দিনে পাবনার সাঁথিয়া উপজেলার আতাইকুলায় মাছের পোনা অবমুক্তকরণ, বৃক্ষরোপণ এবং শতাধিক শিক্ষার্থীর মাঝে গাছের চারা বিতরণ করা হয়েছে।বুধবার (৪ নভেম্বর) সকাল ১১টায় রঘুনাথপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে সাঁথিয়া উপজেলা প্রশাসন ও উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তার কার্যালয়ের আয়োজনে এ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। এতে কার্যকরী সহযোগিতা করে স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন ‘ম্যানকাইন্ড ডেভেলপমেন্ট ইয়ুথ অর্গানাইজেশন (MDYO)’।কর্মসূচির অংশ হিসেবে রঘুনাথপুরের একটি পুকুরে মাছের পোনা অবমুক্ত করা হয় এবং বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে একটি আমগাছের চারা রোপণ করা হয়। এছাড়া অনুষ্ঠানে উপস্থিত শতাধিক শিক্ষার্থীর মাঝে বিভিন্ন প্রজাতির ফলজ ও ঔষধি গাছের চারা বিতরণ করা হয়।এ সময় শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে পরিবেশ সংরক্ষণ, বৃক্ষরোপণের গুরুত্ব, জীববৈচিত্র্য রক্ষা এবং সামাজিক উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডে সক্রিয় অংশগ্রহণের বিষয়ে দিকনির্দেশনামূলক বক্তব্য দেওয়া হয়।অনুষ্ঠানে সাঁথিয়া উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা এস এম সাঈদ হোসেনের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন... (প্রয়োজনে অতিথি যোগ করুন)। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সাঁথিয়া উপজেলা সহকারী যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা মোঃ ইমরান হোসাইন, আতাইকুলা প্রেসক্লাবের সভাপতি নজরুল ইসলাম বাঁধন, রঘুনাথপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ শফিকুল ইসলাম, বিদ্যালয় ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি রফিকুল ইসলাম এবং সহকারী শিক্ষক কামরুজ্জামান ও বাকী বিল্লাহসহ বিদ্যালয়ের অন্যান্য শিক্ষকবৃন্দ।এছাড়াও অনুষ্ঠানে ম্যানকাইন্ড ডেভেলপমেন্ট ইয়ুথ অর্গানাইজেশনের প্রতিষ্ঠাতা ও সভাপতি মোঃ মিঠুন শেখ, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মেহেদী হাসান মুন, দপ্তর সম্পাদক এবিএম সালেহী রহমান, কোষাধ্যক্ষ মিয়াজুল ইসলাম হৃদয়সহ সংগঠনের বিভিন্ন স্তরের সদস্যবৃন্দ, স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ এবং প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।আয়োজকরা জানান, এ ধরনের উদ্যোগের মূল লক্ষ্য হলো পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা, জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ, মৎস্যসম্পদের উন্নয়ন এবং দেশের যুবসমাজকে ইতিবাচক ও দেশগঠনমূলক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত করা। এর মাধ্যমে নতুন প্রজন্মের মধ্যে পরিবেশবান্ধব ও সামাজিক দায়বদ্ধতামূলক মনোভাব গড়ে উঠবে বলে তারা আশাবাদ ব্যক্ত করেন।