লক্ষ্মীপুর সদর হাসপাতালে স্বেচ্ছাসেবক দল নেতাকে হামলার ঘটনার প্রধান অভিযুক্ত গ্রেপ্তার
সারাদেশ · 2026-10-28T01:49:13.000000Z · জেলা প্রতিনিধি
লক্ষ্মীপুর সদর হাসপাতালের জরুরি বিভাগের কক্ষে ঢুকে পৌরসভার ১ নম্বর ওয়ার্ড স্বেচ্ছাসেবক দলের জ্যেষ্ঠ সহ-সভাপতি জুয়েল হোসেনকে মারধরের ঘটনায় মামলার প্রধান অভিযুক্ত আব্দুর রহমান শাহেদকে (১৯) গ্রেফতার করেছে জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি)। সোমবার (২৭ অক্টোবর ২০২৬) সন্ধ্যায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে উত্তর স্টেশন এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেফতার করা হয়। গত রোববার রাতের ওই হামলার ঘটনায় ভুক্তভোগীর অভিযোগের ভিত্তিতে এই অভিযান পরিচালনা করে পুলিশ। বর্তমানে ধৃত আসামির বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
লক্ষ্মীপুর সদর হাসপাতালে জরুরি বিভাগের ভেতরে ঢুকে পৌরসভার ১ নম্বর ওয়ার্ড স্বেচ্ছাসেবক দলের জ্যেষ্ঠ সহ-সভাপতি জুয়েল হোসেনকে মারধরের চাঞ্চল্যকর ও আলোচিত ঘটনার মূল এজাহারভুক্ত ও প্রধান অভিযুক্তকে গ্রেফতার করেছে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)।
আজ মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর ২০২৬) সন্ধ্যা ৮টা ১৫ মিনিটে জেলা গোয়েন্দা শাখার (ডিবি) একটি চৌকস দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সদর থানাধীন উত্তর স্টেশন এলাকায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে তাকে সফলভাবে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়।
গ্রেফতারকৃত প্রধান আসামি হলেন— আব্দুর রহমান শাহেদ (১৯), পিতা: ফিরোজ আলম, সাং: বাঞ্চানগর (পৌরসভার ৩ নম্বর ওয়ার্ড), সদর থানা, লক্ষ্মীপুর।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত রোববার রাতে লক্ষ্মীপুর সদর হাসপাতালে জরুরি বিভাগের কক্ষে চিকিৎসাধীন কিংবা অন্যান্য কাজে অবস্থানকালীন সময়ে অতর্কিতভাবে ভেতরে প্রবেশ করে স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা জুয়েল হোসেনের ওপর হামলা চালায় দুর্বৃত্তরা। তাকে শারীরিকভাবে মারধর করার এই ন্যাক্কারজনক ঘটনাটি এলাকায় চাঞ্চল্য সৃষ্টি করে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী নেতার পক্ষ থেকে থানায় সুনির্দিষ্ট অভিযোগ দায়ের করার পর নড়েচড়ে বসে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।
পরবর্তীতে ঘটনার গুরুত্ব অনুধাবন করে, জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) দ্রুত ছায়া তদন্ত শুরু করে এবং প্রযুক্তি ও গোপনীয় তথ্যের ভিত্তিতে প্রধান অভিযুক্তকে আইনের আওতায় আনতে সক্ষম হয়।
জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) সূত্রে আরও জানা গেছে, গ্রেফতারকৃত আসামির বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া বর্তমানে শেষ পর্যায়ে রয়েছে। এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত অন্যান্যদের গ্রেফতারেও পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
এ বিষয়ে গ্রেপ্তারকৃত শাহেদ বা তাঁর পরিবার থেকে এখন পর্যন্ত কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি