মোটরসাইকেলের ট্রাফিক মামলা ও জরিমানা কত? অপরাধভিত্তিক তালিকা
জাতীয় · 2026-11-08T08:21:00.000000Z · ডেস্ক রিপোর্ট
বাংলাদেশে মোটরসাইকেলের ট্রাফিক আইন লঙ্ঘন করলে অপরাধের ধরন অনুযায়ী জরিমানা, কারাদণ্ড ও দোষসূচক পয়েন্ট কর্তনের বিধান রয়েছে। সড়ক পরিবহন আইন, ২০১৮ অনুযায়ী হেলমেট ছাড়া বাইক চালানো, লাইসেন্স না থাকা, রেজিস্ট্রেশনবিহীন মোটরসাইকেল চালানো, অতিরিক্ত গতি ও ট্রাফিক সংকেত অমান্য করার শাস্তি তুলে ধরা হয়েছে এই প্রতিবেদনে।
বাংলাদেশে মোটরসাইকেল চালানোর সময় হেলমেট ব্যবহার না করা, ড্রাইভিং লাইসেন্স ছাড়া বাইক চালানো, উল্টো পথে চলাচল, অতিরিক্ত গতি কিংবা প্রয়োজনীয় কাগজপত্র হালনাগাদ না রাখার কারণে ট্রাফিক মামলা হতে পারে। এসব অপরাধে কত টাকা জরিমানা দিতে হয়, কোন ক্ষেত্রে কারাদণ্ড হতে পারে এবং মামলা হলে কীভাবে জরিমানা পরিশোধ করবেন—এসব বিষয়ে অনেক চালকের মধ্যেই বিভ্রান্তি রয়েছে।
বাংলাদেশে মোটরসাইকেলসহ যানবাহনের ট্রাফিক অপরাধ ও শাস্তির মূল আইন হলো সড়ক পরিবহন আইন, ২০১৮। এই আইনে অপরাধের ধরন অনুযায়ী সর্বোচ্চ জরিমানা, কারাদণ্ড এবং চালকের দোষসূচক পয়েন্ট কর্তনের বিধান রয়েছে। তবে মনে রাখতে হবে, আইনে উল্লেখ করা সর্বোচ্চ জরিমানাই প্রতিটি মামলায় স্বয়ংক্রিয়ভাবে দিতে হয় না; অভিযোগ, প্রযোজ্য ধারা এবং মামলার নিষ্পত্তির ওপর চূড়ান্ত অর্থদণ্ড নির্ভর করে।
ঢাকায় সিসিটিভি ও AI-ভিত্তিক ক্যামেরার ফুটেজ ব্যবহার করে ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনের বিরুদ্ধে ই-ট্রাফিক প্রসিকিউশন ব্যবস্থায় নোটিশ পাঠানোর বিষয়টিও এখন গুরুত্বপূর্ণ। তাই শুধু ট্রাফিক পুলিশের সামনে নয়, সড়কে চলাচলের সময়ও আইন মেনে চলা জরুরি।
২০২৬ সালে মোটরসাইকেলের ট্রাফিক মামলা ও জরিমানার তালিকা
নিচের তালিকায় সড়ক পরিবহন আইন, ২০১৮ অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট অপরাধের সর্বোচ্চ শাস্তি তুলে ধরা হলো। এটি প্রতিটি মামলায় নির্ধারিত তাৎক্ষণিক জরিমানার তালিকা নয়।
অপরাধের ধরন
আইনের ধারা
সর্বোচ্চ শাস্তি
হেলমেট ছাড়া মোটরসাইকেল চালানো বা সহযাত্রীকে হেলমেট না দেওয়া
৯২(১)
১০ হাজার টাকা বা ৩ মাসের জেল অথবা উভয় দণ্ড
মোটরসাইকেলে চালক ছাড়া একাধিক সহযাত্রী বহন (ট্রিপল রাইডিং)
৯২(১)
১০ হাজার টাকা বা ৩ মাসের জেল অথবা উভয় দণ্ড
উল্টো পথে মোটরসাইকেল চালানো
৯২(১)
১০ হাজার টাকা বা ৩ মাসের জেল অথবা উভয় দণ্ড
বৈধ ড্রাইভিং লাইসেন্স ছাড়া বাইক চালানো
৬৬
২৫ হাজার টাকা বা ৬ মাসের জেল অথবা উভয় দণ্ড
রেজিস্ট্রেশন ছাড়া মোটরসাইকেল চালানো
৭২
৫০ হাজার টাকা বা ৬ মাসের জেল অথবা উভয় দণ্ড
ট্যাক্স টোকেন ছাড়া বা মেয়াদোত্তীর্ণ ট্যাক্স টোকেনে বাইক চালানো
৭৬
১০ হাজার টাকা
প্রযোজ্য ক্ষেত্রে ফিটনেস সনদ ছাড়া বা মেয়াদোত্তীর্ণ সনদে গাড়ি চালানো
৭৫
২৫ হাজার টাকা বা ৬ মাসের জেল অথবা উভয় দণ্ড
নির্ধারিত গতিসীমা অতিক্রম করা
৮৭
১০ হাজার টাকা বা ৩ মাসের জেল অথবা উভয় দণ্ড
ট্রাফিক সাইন ও সংকেত অমান্য করা
৮৫
১০ হাজার টাকা বা ১ মাসের জেল অথবা উভয় দণ্ড
চালানোর সময় মোবাইল ফোন ব্যবহার
৯২(২)
৫ হাজার টাকা বা ১ মাসের জেল অথবা উভয় দণ্ড
নির্ধারিত মাত্রার বেশি শব্দ সৃষ্টি বা নিষিদ্ধ হর্ন ব্যবহার
৮৮
১০ হাজার টাকা বা ৩ মাসের জেল অথবা উভয় দণ্ড
পরিবেশ দূষণকারী বা ঝুঁকিপূর্ণ মোটরযান চালানো
৮৯
অপরাধের ধরন অনুযায়ী ২০–২৫ হাজার টাকা পর্যন্ত বা ৩ মাসের জেল
নির্ধারিত স্থানের বাইরে পার্কিং
৯০
৫ হাজার টাকা
আইনি ভিত্তি: সড়ক পরিবহন আইন, ২০১৮-এর সংশ্লিষ্ট ধারাগুলো।
হেলমেট ছাড়া বাইক চালালে কত টাকা জরিমানা?
সড়ক পরিবহন আইন, ২০১৮-এর ৪৯ ধারায় মোটরসাইকেলের চালক ও সহযাত্রী উভয়ের হেলমেট ব্যবহার বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। এই বিধান লঙ্ঘন করলে ৯২(১) ধারা অনুযায়ী সর্বোচ্চ ১০ হাজার টাকা জরিমানা, তিন মাস পর্যন্ত কারাদণ্ড অথবা উভয় দণ্ড হতে পারে। চালকের ক্ষেত্রে অতিরিক্তভাবে দোষসূচক এক পয়েন্ট কর্তনের বিধানও রয়েছে।
শুধু চালকের হেলমেট থাকলেই দায়িত্ব শেষ হয় না। পেছনের যাত্রীর জন্যও যথাযথ হেলমেট নিশ্চিত করতে হবে।
লাইসেন্স ছাড়া মোটরসাইকেল চালালে জরিমানা কত?
বৈধ ড্রাইভিং লাইসেন্স ছাড়া মোটরসাইকেল চালানো সড়ক পরিবহন আইনের ৬৬ ধারায় অপরাধ। এ অপরাধে সর্বোচ্চ ২৫ হাজার টাকা জরিমানা, ছয় মাসের কারাদণ্ড অথবা উভয় দণ্ড হতে পারে।
মোটরসাইকেল চালানোর জন্য সংশ্লিষ্ট শ্রেণির বৈধ ড্রাইভিং লাইসেন্স থাকতে হবে। শুধু মোটরসাইকেল চালানো শেখা বা লাইসেন্সের আবেদন করা বৈধ লাইসেন্সের বিকল্প নয়।
রেজিস্ট্রেশন ছাড়া বাইক চালালে কত টাকা জরিমানা?
সড়ক পরিবহন আইন অনুযায়ী নিবন্ধন ছাড়া মোটরযান সড়কে চালানো নিষিদ্ধ। আইনের ৭২ ধারায় এ অপরাধের জন্য সর্বোচ্চ ৫০ হাজার টাকা জরিমানা, ছয় মাসের কারাদণ্ড অথবা উভয় দণ্ডের বিধান রয়েছে।
অন্যদিকে ভুয়া বা জাল নম্বর প্লেট ব্যবহার, নম্বর পরিবর্তন কিংবা অন্য মোটরযানের নম্বর ব্যবহার করলে পৃথক আইনি ব্যবস্থা হতে পারে। তাই নম্বর প্লেটের বিষয়ে কোনো ধরনের অনিয়ম করা উচিত নয়।
ট্যাক্স টোকেনের মেয়াদ শেষ হলে জরিমানা কত?
মোটরসাইকেলের ট্যাক্স টোকেনের মেয়াদ শেষ হওয়ার পর নবায়ন না করে রাস্তায় চলাচল করলে আইনের ৭৬ ধারায় সর্বোচ্চ ১০ হাজার টাকা জরিমানা হতে পারে।
তাই ট্যাক্স টোকেনের মেয়াদ শেষ হওয়ার আগেই নবায়ন করা উচিত। ট্যাক্স টোকেন নবায়নের ফি ও প্রক্রিয়া জানতে বিআরটিএর নির্ধারিত নিয়ম অনুসরণ করুন।
উল্টো পথে বাইক চালালে জরিমানা কত?
নির্ধারিত দিকের বিপরীতে মোটরসাইকেল চালানো সড়ক পরিবহন আইন, ২০১৮-এর ৪৯ ধারার পরিপন্থী। এ ধরনের অপরাধের জন্য ৯২(১) ধারায় সর্বোচ্চ ১০ হাজার টাকা জরিমানা বা তিন মাসের কারাদণ্ড অথবা উভয় দণ্ড হতে পারে।
সময় বাঁচানোর জন্য একমুখী সড়কে উল্টো পথে চলাচল করা বিপজ্জনক। এতে সামনের দিক থেকে আসা যানবাহনের সঙ্গে সংঘর্ষের আশঙ্কা তৈরি হয়।
ট্রাফিক সিগন্যাল অমান্য করলে কত টাকা জরিমানা?
লাল বাতি অমান্য করা বা ট্রাফিক সংকেত না মেনে চলা আইনত দণ্ডনীয়। সড়ক পরিবহন আইন, ২০১৮-এর ৪২ ধারায় ট্রাফিক সাইন ও সংকেত মেনে চলার বাধ্যবাধকতা রয়েছে। এর লঙ্ঘনের জন্য ৮৫ ধারায় সর্বোচ্চ ১০ হাজার টাকা জরিমানা, এক মাসের কারাদণ্ড অথবা উভয় দণ্ড হতে পারে।
তবে প্রতিটি ট্রাফিক পরিস্থিতিতে একই অভিযোগ বা একই ধারা প্রযোজ্য হবে, এমন নয়। মামলার কাগজে উল্লেখ করা অভিযোগ ও ধারা দেখে জরিমানার বিষয়টি বুঝতে হবে।
অতিরিক্ত গতিতে বাইক চালালে জরিমানা কত?
সড়ক বা মহাসড়কে নির্ধারিত গতিসীমা অতিক্রম করে মোটরসাইকেল চালালে আইনের ৮৭ ধারায় সর্বোচ্চ ১০ হাজার টাকা জরিমানা, তিন মাসের কারাদণ্ড অথবা উভয় দণ্ড হতে পারে। চালকের ক্ষেত্রে দোষসূচক এক পয়েন্ট কর্তনের বিধানও রয়েছে।
আর অতিরিক্ত গতি, বেপরোয়া চালানো বা ঝুঁকিপূর্ণ ওভারটেকিংয়ের কারণে দুর্ঘটনায় প্রাণহানি বা সম্পদের ক্ষতি হলে ৯৮ ধারায় সর্বোচ্চ তিন বছরের কারাদণ্ড বা তিন লাখ টাকা জরিমানা অথবা উভয় দণ্ড হতে পারে।
বিকট শব্দের সাইলেন্সার ব্যবহার করলে জরিমানা কত?
মোটরসাইকেলে পরিবর্তিত সাইলেন্সার লাগিয়ে নির্ধারিত শব্দমাত্রার বেশি শব্দ সৃষ্টি করলে আইনের ৮৮ ধারায় সর্বোচ্চ ১০ হাজার টাকা জরিমানা, তিন মাসের কারাদণ্ড অথবা উভয় দণ্ড হতে পারে।
এ ছাড়া পরিবেশ দূষণকারী বা ঝুঁকিপূর্ণ মোটরযান চালানোর ক্ষেত্রে ৮৯ ধারায় অপরাধের ধরন অনুযায়ী সর্বোচ্চ ২০ হাজার বা ২৫ হাজার টাকা জরিমানার বিধান রয়েছে। তাই শুধু দেখতে আকর্ষণীয় করার জন্য সাইলেন্সার পরিবর্তন করে শব্দদূষণ সৃষ্টি করা উচিত নয়।
ঢাকায় AI ক্যামেরায় কী ধরনের ট্রাফিক অপরাধ শনাক্ত হচ্ছে?
ঢাকা মহানগরীতে ট্রাফিক ব্যবস্থাপনায় সিসিটিভি ফুটেজ, ভিডিও এবং AI-ভিত্তিক ক্যামেরা ব্যবহারের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ২০২৬ সালের মে মাসে বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা (বাসস) প্রকাশিত প্রতিবেদনে ডিএমপির বরাতে জানানো হয়, ক্যামেরার মাধ্যমে লাল বাতি অমান্য, স্টপ লাইন অতিক্রম, উল্টো পথে চলাচল, অবৈধ পার্কিং, নির্ধারিত লেন আটকে রাখা, হেলমেট ছাড়া মোটরসাইকেল চালানোসহ বিভিন্ন অনিয়ম শনাক্ত করা হচ্ছে।
তবে সব ক্যামেরা সব ধরনের অপরাধ শনাক্ত করে—এমনটি ধরে নেওয়া ঠিক নয়। ক্যামেরার অবস্থান, প্রযুক্তিগত সক্ষমতা এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কার্যক্রমের ওপর শনাক্তকরণ নির্ভর করে।
AI ক্যামেরায় মামলা হলে কীভাবে জরিমানা পরিশোধ করবেন?
ঢাকা মহানগর পুলিশের ই-ট্রাফিক প্রসিকিউশন ব্যবস্থায় সিসিটিভি বা ভিডিও ফুটেজের ভিত্তিতে মামলা হলে সংশ্লিষ্ট যানবাহনের মালিকের ঠিকানায় আনুষ্ঠানিক নোটিশ পাঠানো হতে পারে।
এ ধরনের নোটিশ পেলে করণীয়:
1. নোটিশে উল্লেখ করা অপরাধ, মামলা নম্বর ও সংশ্লিষ্ট ট্রাফিক বিভাগের তথ্য যাচাই করুন।
2. নোটিশে দেওয়া নির্দেশনা অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট ট্রাফিক বিভাগ বা ডিএমপি কার্যালয়ে যোগাযোগ করুন।
3. অনুমোদিত ব্যাংকিং বা মোবাইল আর্থিক সেবার মাধ্যমে নির্ধারিত জরিমানা পরিশোধ করুন।
4. টাকা পরিশোধের রসিদ বা প্রমাণ সংরক্ষণ করুন।
প্রতারণা থেকে সতর্ক থাকুন: ডিএমপি ২০২৬ সালের মে মাসে AI ও ভিডিওভিত্তিক ট্রাফিক মামলা নিয়ে ভুয়া এসএমএস এবং প্রতারণামূলক অর্থ দাবির বিষয়ে সতর্ক করেছে। পুলিশের বক্তব্য অনুযায়ী, এ ধরনের মামলার নোটিশ নির্ধারিত প্রক্রিয়ায় পাঠানো হয়। কেউ ফোন বা মেসেজে ব্যক্তিগত বিকাশ/নগদ নম্বরে টাকা, ব্যাংক পিন, পাসওয়ার্ড বা OTP চাইলে তা দেবেন না।
ট্রাফিক মামলা হলে জরিমানা না দিলে কী হতে পারে?
ট্রাফিক মামলার নোটিশ পাওয়ার পর সেটি উপেক্ষা করা ঠিক নয়। সড়ক পরিবহন আইন, ২০১৮-এর ১০৮ ধারায় নির্দিষ্ট কিছু অপরাধের ক্ষেত্রে অভিযোগ ও জরিমানা নিষ্পত্তির বিশেষ পদ্ধতি রয়েছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে জরিমানা পরিশোধ না করলে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ আদালতে অভিযোগ দাখিল করতে পারে।
ডিএমপির প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, সিসিটিভি বা ভিডিও ফুটেজের ভিত্তিতে করা মামলার নোটিশ উপেক্ষা করলে সমন বা গ্রেপ্তারি পরোয়ানাসহ পরবর্তী আইনি পদক্ষেপের ঝুঁকি থাকতে পারে। তাই মামলা হলে দ্রুত সংশ্লিষ্ট ট্রাফিক বিভাগে যোগাযোগ করে বিষয়টি নিষ্পত্তি করুন।
মোটরসাইকেল চালকদের জন্য জরুরি পরামর্শ
ট্রাফিক মামলা ও জরিমানা এড়ানোর সবচেয়ে ভালো উপায় হলো সড়ক পরিবহন আইন মেনে চলা। মোটরসাইকেল চালানোর আগে নিজের ড্রাইভিং লাইসেন্স, রেজিস্ট্রেশন ও ট্যাক্স টোকেনের মেয়াদ যাচাই করুন। চালক ও সহযাত্রী উভয়ের জন্য মানসম্মত হেলমেট ব্যবহার করুন। ট্রাফিক সিগন্যাল মেনে চলুন, নির্ধারিত গতিসীমা অতিক্রম করবেন না এবং একমুখী সড়কে কখনো উল্টো পথে যাবেন না।
মোবাইল ফোন ব্যবহার, অতিরিক্ত যাত্রী বহন এবং বিকট শব্দের সাইলেন্সার ব্যবহার থেকেও বিরত থাকুন। মনে রাখতে হবে, ট্রাফিক আইন শুধু জরিমানা আদায়ের জন্য নয়; চালক, যাত্রী ও পথচারীর জীবন নিরাপদ রাখার জন্যও তৈরি করা হয়েছে।
উপসংহার
বাংলাদেশে মোটরসাইকেলের ট্রাফিক মামলার জরিমানা অপরাধের ধরন অনুযায়ী ভিন্ন। হেলমেট ছাড়া চালানো বা ট্রিপল রাইডিংয়ের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ ১০ হাজার টাকা, লাইসেন্স ছাড়া চালালে ২৫ হাজার টাকা এবং রেজিস্ট্রেশন ছাড়া চালালে ৫০ হাজার টাকা পর্যন্ত জরিমানার বিধান রয়েছে। পাশাপাশি গুরুতর অপরাধে কারাদণ্ড ও দোষসূচক পয়েন্ট কর্তনের ব্যবস্থাও রয়েছে।
তাই বাইক চালানোর আগে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র হালনাগাদ রাখুন এবং ট্রাফিক আইন মেনে চলুন। জরিমানার পরিমাণ জানার পাশাপাশি কোন অপরাধে আইনের কোন ধারা প্রযোজ্য, সেটিও জানা জরুরি।