শেরপুরে ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে জখম, লাখ টাকা ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগ
সারাদেশ · 2026-11-04T07:22:09.000000Z · স্টাফ রিপোর্টার
শেরপুর সদর উপজেলায় পূর্ববিরোধের জেরে মো. আকমল আলী (৩৬) নামে এক ব্যবসায়ীকে ধারালো দা, লোহার রড ও লাঠিসোঁটা দিয়ে হামলা করে গুরুতর জখম করার অভিযোগ উঠেছে। এ সময় তার পকেটে থাকা ব্যাবসায়িক কাজের নগদ এক লাখ টাকা ছিনিয়ে নেওয়া হয়েছে বলেও অভিযোগ করেছেন তিনি। সোমবার (২ নভেম্বর) সন্ধ্যা আনুমানিক ৭টার দিকে সদর উপজেলার চাপাতলী এতিমখানা মোড় এলাকায় একটি ওয়েল্ডিংয়ের দোকানের সামনে এ ঘটনা ঘটে।
এ ঘটনায় মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) শেরপুর সদর থানার ওসি বরাবর লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন ভুক্তভোগী আকমল আলী। অভিযোগে মো. বাবু মিয়া (৩০) নামে একজনকে প্রধান অভিযুক্ত করে অজ্ঞাতনামা আরও ১০ থেকে ১২ জনকে অভিযুক্ত করা হয়েছে। বাবু মিয়া শেরপুর শহরের চাপাতলী এলাকার হাবিবুল্লাহ ড্রাইভারের ছেলে। অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, আকমল আলী শেরপুর সদর উপজেলার মনকান্দা এলাকার বাসিন্দা। বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আগে থেকেই বাবু মিয়ার সঙ্গে তার বিরোধ চলছিল। ঘটনার দিন সন্ধ্যায় চাপাতলী এতিমখানা মোড় থেকে নিজ বাড়িতে যাওয়ার পথে ঘটনাস্থলে পৌঁছালে বাবু মিয়াসহ অজ্ঞাতনামা ১০ থেকে ১২ জন তার পথরোধ করেন। এ সময় তারা তাকে অকথ্য ভাষায় গালাগাল করেন।
অভিযোগে আরও বলা হয়, গালাগালের প্রতিবাদ করলে প্রধান অভিযুক্ত বাবু মিয়া তার হাতে থাকা ধারালো দা দিয়ে আকমল আলীর মাথায় আঘাত করেন। পরে অন্য অভিযুক্তরা লোহার রড ও লাঠিসোঁটা দিয়ে তাকে এলোপাতাড়ি মারধর করেন। এতে তার মাথাসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে কাটা, রক্তাক্ত ও ফোলা জখম হয়। একপর্যায়ে তার পরিহিত প্যান্টের ডান পকেটে থাকা ব্যাবসায়িক কাজের নগদ এক লাখ টাকা নিয়ে নেওয়া হয় বলেও অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে। ভুক্তভোগীর দাবি, তার চিৎকার শুনে আশপাশের লোকজন ও সাক্ষীরা এগিয়ে এলে অভিযুক্তরা মামলা-মোকদ্দমা করলে তাকে ও তার পরিবারের সদস্যদের হত্যা এবং লাশ গুম করার হুমকি দেন।
পরে স্থানীয় লোকজনের সহযোগিতায় অজ্ঞাতপরিচয় এক অটোরিকশাচালকের অটোরিকশায় করে তাকে শেরপুর সদর হাসপাতালে নেওয়া হয়। এ বিষয়ে শেরপুর সদর থানার ওসি খোকন চন্দ্র ঘোষের সঙ্গে কথা হলে তিনি বলেন, বিষয়টি জেনে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।