নামজারির জন্য ঘুষ, স্থানীয়দের সামনে ফেরত দিলেন ভূমি কর্মকর্তা
সারাদেশ · 2026-11-01T16:05:00.000000Z · ডেস্ক রিপোর্ট
জমি নামজারি করে দেওয়ার কথা বলে ১০ হাজার টাকা ঘুষ নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে উপসহকারী ভূমি কর্মকর্তা মো. শরীয়ত উল্লাহর বিরুদ্ধে। রোববার স্থানীয়দের উপস্থিতিতে ওই টাকা ফেরত দেন তিনি। নিজের ভুল স্বীকার করে শেষবারের মতো সুযোগ চেয়েছেন অভিযুক্ত কর্মকর্তা। এর আগেও তাঁর বিরুদ্ধে একই ধরনের অভিযোগে ভিডিও ছড়িয়ে পড়েছিল বলে জানা গেছে।
নামজারির জন্য ১০ হাজার টাকা ঘুষ, স্থানীয়দের সামনে ফেরত দিলেন ভূমি কর্মকর্তাজমি নামজারি করে দেওয়ার কথা বলে ঘুষ নেওয়ার অভিযোগে স্থানীয়দের উপস্থিতিতে ১০ হাজার টাকা ফেরত দিয়েছেন উপসহকারী ভূমি কর্মকর্তা মো. শরীয়ত উল্লাহ। রোববার (১ নভেম্বর) ভূমি অফিস কার্যালয়ে এ ঘটনা ঘটে। এ সময় নিজের ভুল স্বীকার করে শেষবারের মতো সুযোগ দেওয়ার অনুরোধ জানান অভিযুক্ত কর্মকর্তা।
ভুক্তভোগী এমডি আওলাদ হোসেনের অভিযোগ, জমি নামজারির জন্য তিনি ইউনিয়ন ভূমি অফিসে আবেদন করেছিলেন। কিন্তু চার মাস পেরিয়ে গেলেও তাঁর নামজারি সম্পন্ন হয়নি। এক সপ্তাহের মধ্যে নামজারি করে দেওয়ার আশ্বাস দিয়ে তহসিলদার শরীয়ত উল্লাহ তাঁর কাছে ১০ হাজার ৫০০ টাকা দাবি করেন। পরে তাঁকে ১০ হাজার টাকা দেওয়া হয়।
আওলাদ হোসেন জানান, পরবর্তী সময়ে স্থানীয়দের উপস্থিতিতে ওই ১০ হাজার টাকা ফেরত দেন অভিযুক্ত কর্মকর্তা। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে ভূমি অফিসে ঘুষ লেনদেনের অভিযোগটি সামনে আসে।
অভিযোগের বিষয়ে শরীয়ত উল্লাহ নিজের ভুল স্বীকার করেছেন বলে জানা গেছে। একই সঙ্গে শেষবারের মতো তাঁকে সুযোগ দেওয়ার অনুরোধ জানান তিনি।
এ বিষয়ে ডামুড্যা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. সালাহউদ্দিন আইয়ুবী বলেন, ভিডিও দেখে তাঁর কাছে প্রাথমিকভাবে প্রতীয়মান হয়েছে, ওই কর্মকর্তা ঘুষ নিয়েছেন এবং পরে তা ফেরত দিয়েছেন। বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হবে এবং তাঁর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এর আগেও ঘুষ গ্রহণের অভিযোগে শরীয়ত উল্লাহর একটি ভিডিও ছড়িয়ে পড়েছিল। ওই ঘটনার পর তাঁকে বদলি করা হয় বলে জানা গেছে। তবে নতুন কর্মস্থলেও একই ধরনের অভিযোগ ওঠায় ভূমি অফিসের সেবার স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিয়ে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।
নামজারির মতো গুরুত্বপূর্ণ ভূমিসেবা পেতে সাধারণ মানুষকে ঘুষের অভিযোগের মুখোমুখি হতে হলে সরকারি সেবার প্রতি আস্থা ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। তাই অভিযোগের নিরপেক্ষ তদন্ত এবং দায়ী ব্যক্তির বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি উঠেছে।