পাবনায় টেন্ডারে অনিয়ম-দুর্নীতি ধামাচাপা দিতে যুবদল নেতার বিরুদ্ধে স্বাস্থ্য কর্মকর্তার মিথ্যা অভিযোগ: পিন্টু
সিলেটের খবর · 2026-11-07T07:15:05.000000Z · সিনিয়র রিপোর্টার
নিয়মনীতি উপেক্ষা করে পছন্দের ঠিকাদারদের কাজ পাইয়ে দেওয়ার গুরুতর অভিযোগ উঠেছে পাবনার সুজানগর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. সুপ্রভা রাণীর বিরুদ্ধে। নিজের এই অনিয়ম ও দুর্নীতি ধামাচাপা দিতেই উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক সিদ্দিকুর রহমান পিন্টুর বিরুদ্ধে মিথ্যা ও বানোয়াট অভিযোগ তোলা হয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে।শুক্রবার (৭ নভেম্বর) দুপুরে সুজানগর পৌর সুপার মার্কেটে পৌর বিএনপির অস্থায়ী কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক সিদ্দিকুর রহমান পিন্টু। এ সময় স্বাস্থ্য কর্মকর্তার করা ভিত্তিহীন অভিযোগের তীব্র প্রতিবাদ জানান তিনি।সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে সিদ্দিকুর রহমান পিন্টু বলেন, "সম্প্রতি সুজানগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের এমএসআর খাতের ৬টি প্যাকেজে দরপত্র আহ্বান করা হয়। কিন্তু ডা. সুপ্রভা রাণী এমন সব শর্ত জুড়ে দেন, যার ফলে সুজানগর ও পাবনার কোনো উপযুক্ত লাইসেন্সধারী ঠিকাদারই দরপত্র জমা দিতে পারেননি। এমনকি নিয়মনীতি লঙ্ঘন করে নিজের মতো করে টেন্ডার যাচাই-বাছাই কমিটি গঠন করা হয়েছে, যেখানে কোনো বিশেষজ্ঞ চিকিৎসককেও রাখা হয়নি। দরপত্র পাওয়া ব্যক্তিরা মূলত ডা. সুপ্রভার পূর্বপরিচিত এবং তার স্বামীর সঙ্গে তাদের ব্যবসায়িক সম্পর্ক রয়েছে।"তিনি আরও বলেন, "একজন সচেতন নাগরিক ও রাজনৈতিককর্মী হিসেবে আমি শুধু এই অনিয়ম ও দুর্নীতির বিষয়ে তার কাছে জানতে চেয়েছিলাম। এর বেশি কিছু নয়। কিন্তু তিনি নিজের অনিয়ম ও দুর্নীতি ঢাকতে আমার বিরুদ্ধে মনগড়া ও বানোয়াট অভিযোগ তুলেছেন। ডা. সুপ্রভা এমনিতেই নিয়মিত হাসপাতালে আসেন না, আর টেন্ডার বাণিজ্যের ঘটনা জানাজানি হওয়ার পর থেকেই তিনি ছুটিতে আছেন। অথচ গণমাধ্যমে মিথ্যা অভিযোগ করা হয়েছে যে—আমার নাকি হুমকির কারণে তিনি হাসপাতালে যেতে পারছেন না!"সংবাদ সম্মেলনে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন—সুজানগর উপজেলা বিএনপি নেতা আহমেদ আলী প্রামানিক লাটুউপজেলা বিএনপির সাবেক দপ্তর সম্পাদক নাদের হোসেনউপজেলা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক রাশেদ খান ও এস এম রাসেলপৌর যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক আবুল কালাম আজাদসহ বিএনপি, যুবদল ও ছাত্রদলের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ।যা বললেন স্বাস্থ্য কর্মকর্তা:এ বিষয়ে সুজানগর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. সুপ্রভা রাণীর সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি সব অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, "আমি কোনো ধরনের অনিয়ম করিনি। কেউ অভিযোগ করতেই পারে, তবে আমি যে অনিয়ম করেছি তা প্রমাণ করুক। হ্যাঁ, আমি ছুটিতে আছি। আমি তো অফিসে যেতে পারছি না বলেই ছুটিতে থাকতে বাধ্য হয়েছি।"