শ্রীমঙ্গলের সময়

মিরপুরে শ্রমিকদের আন্দোলনের প্রভাব মেট্রোরেলে, বন্ধ দুই স্টেশন

জাতীয় · 2026-11-03T06:46:00.000000Z · ডেস্ক রিপোর্ট

বেতন বাড়ানোর দাবিতে পোশাকশ্রমিকদের আন্দোলন ও পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষের প্রভাব পড়েছে মেট্রোরেল চলাচলে। নিরাপত্তার কারণে মিরপুর-১০ ও মিরপুর-১১ স্টেশনে ট্রেন থামা বন্ধ রাখা হয়েছে। তবে উত্তরা থেকে মতিঝিল পর্যন্ত অন্য স্টেশনগুলোতে মেট্রোরেল চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে।

বেতন বাড়ানোর দাবিতে পোশাকশ্রমিকদের আন্দোলন ও পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষের প্রভাব পড়েছে মেট্রোরেল চলাচলে। নিরাপত্তার কারণে মিরপুর-১০ ও মিরপুর-১১ স্টেশনে ট্রেন থামা বন্ধ রাখা হয়েছে। তবে উত্তরা থেকে মতিঝিল পর্যন্ত অন্য স্টেশনগুলোতে মেট্রোরেল চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে।

বেতন বাড়ানোর দাবিতে পোশাকশ্রমিকদের আন্দোলনকে কেন্দ্র করে রাজধানীর মিরপুরে মেট্রোরেলের দুটি স্টেশনে ট্রেন থামা বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার সকালে শ্রমিকদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষের পর নিরাপত্তার স্বার্থে মিরপুর-১০ ও মিরপুর-১১ স্টেশনে যাত্রী ওঠানামা বন্ধ রাখা হয়।

ঢাকায় মেট্রোরেল নির্মাণ ও পরিচালনার দায়িত্বে থাকা ঢাকা ম্যাস ট্রানজিট কোম্পানি লিমিটেডের (ডিএমটিসিএল) সূত্র জানায়, মঙ্গলবার বেলা ১১টা ৫০ মিনিটে স্টেশন দুটিতে ট্রেন থামা বন্ধ করা হয়। নিরাপত্তার কারণে স্টেশন দুটির সব গেটও বন্ধ রাখা হয়েছে। ফলে এসব স্টেশনে কোনো যাত্রী প্রবেশ করতে পারছেন না এবং ট্রেন থেকেও যাত্রী নামতে পারছেন না।

তবে উত্তরা থেকে মতিঝিল পর্যন্ত মেট্রোরেল চলাচল অব্যাহত রয়েছে। মিরপুর-১০ ও মিরপুর-১১ ছাড়া অন্য স্টেশনগুলোতে যাত্রী ওঠানামা স্বাভাবিক আছে।

প্রত্যক্ষদর্শী ও সংশ্লিষ্ট সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, মঙ্গলবার সকাল ১০টার কিছু পর পোশাকশ্রমিকেরা আবারও সড়কে নামেন। একপর্যায়ে তাঁদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষ হয়। এ সময় আন্দোলনকারীরা মিরপুর-১১ মেট্রোরেল স্টেশনের নিচে পড়ে থাকা কাঠ ও বাঁশে আগুন দেন। এতে ওই এলাকার সড়কে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। পরে নিরাপত্তার কারণে মেট্রোরেলের স্টেশন দুটিও বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

ডিএমটিসিএল সূত্র জানায়, মেট্রোরেল পুলিশের পক্ষ থেকে সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে দুটি স্টেশন বন্ধ রাখার পরামর্শ দেওয়া হয়েছিল। এর পরিপ্রেক্ষিতে স্টেশন দুটিতে ট্রেন না থামানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

এর আগে গত রোববারও কাজীপাড়া, মিরপুর-১০ ও পল্লবী মেট্রোরেল স্টেশন দুই ঘণ্টার বেশি সময় বন্ধ রাখা হয়েছিল। ডিএমটিসিএল এ ধরনের ব্যবস্থাকে ‘স্টেশন স্কিপ’ বলে। অর্থাৎ, মেট্রোরেল চলাচল চালু থাকে, তবে নির্দিষ্ট স্টেশনে ট্রেন থামে না এবং সেখানে যাত্রী ওঠানামা বন্ধ থাকে।

আরও পড়ুন

সাম্প্রতিক সংবাদ

সর্বাধিক পঠিত