২২ বছরের সংসার আর তিন সন্তান ফেলে অজানার উদ্দ্যেশ্যে গৃহীনী
সারাদেশ · 2026-10-24T11:52:02.000000Z · এম কে ভুইয়া সোহেল
বড় মেয়ে বিয়ে হয়েছে সম্প্রতি,মেঝো মেয়ে পঞ্চম শ্রেনীর শির্ক্ষাথী আর ছোট ছেলে মাদ্রাসার শিশু শ্রেনীতে পড়ছে।পাঁচ সদস্যের সুখী সংসার ছিলো মাঈনউদ্দিন(৪১)ও আঞ্জুমান(৩৭)দম্পতির।টিকটক আর একটি বাটন মোবাইল ফোনের অপব্যবহার এই দম্পতির সংসারের ভাঙ্গনের সৃষ্টি করেছে। এমনটাই অভিযোগ গৃহীনীর স্বামী মাইনউদ্দিনের।১২ অক্টোবর(সোমবার) সকালে সন্তানদের স্কুলে পাঠিয়ে দাঁতের ডাক্টার দেখাবে বলে স্বামীর কাছ থেকে টাকা নিয়ে অজানার উদ্দ্যেশ্যে পাড়ি জমিয়েছে তিন সন্তানের জননী আঞ্জুমান।যাবার আগে গ্রামীণ ব্যাংকের ডিপিএস, এনজিও থেকে তোলা টাকা,নিজের ও মেয়ের ব্যবহৃত দুইজোড়া কানের দুলও নিয়ে গেছে ওই গৃহীনী।টাঙ্গাইলের বাসাইল উপজেলার কাশীল ইউপি’র বাংড়া গ্রামের মাইনউদ্দিনের সাথে কথা বলে জানাযায়,২২বছর আগে আপন খালাতো বোন আঞ্জুমানের সাথে পারিবারিকভাবে বিয়ে হয় আমার।দুই মেয়ে এক ছেলেকে নিয়ে সুখের সংসার কাটছিল।গত ১৩ দিন আগে ভ্যানগাড়ি নিয়ে বের হবার সময় তার স্ত্রী ডাক্টারের কাছে যাবে বলে টাকা নেয়।দিন শেষে বাড়ি ফিরে স্ত্রীকে বাড়িতে না পেয়ে সন্তান,আত্নীয়, প্রতিবেশীদের কাছে বিষয়টি জানিয়ে খোঁজাখুজি করি।কোন খবর না পেয়ে ১৭ অক্টোবর বাসাইল থানায় সাধারণ ডায়েরি করি(৭৩৮)। ধারণা ছিলো যেকোন কারনে অভিমান করে থাকলেও থানাপুলিশ করার পার চলে আসবে।অথচ আজ ১৩ দিনেও তার কোন খবর নেই মেঝো মেয়ের কাছে জানতে পারলাম দুই তিন মাস আগে সে একটা বাটন ফোন কিনে আমার অনুপস্থিতিতে কারোসাথে কথা বলে । টাকা,গহনা নিয়ে গেছে বলে এখন আমি মনে করছি সে কারো সাথে চলে গেছে। বিষয়টি আমি আমার শাশুড়ি,শালীদের কাছেও জানিয়েছি । তারা কোন গুরুত্বই দেয়না।
গৃহীনীর মেঝো মেয়ে মেঘলা জানায়,“আম্মারে মাঝে মাঝেই দেখতাম টিকটকের মোবাইল হাতে নিয়ে আরেকটি ফোন দিয়ে কারসাথে যেনো কথা বলতো।আব্বারে বইলা দিতে চাইছি ,পরে আম্মা আমারে মারছে”।
গৃহীনীর ছোট বোন আম্বিয়ার সাথে মুঠোফোনে কথা বললে তিনি বলেন,“আমার বোন কারো সাথে চলে গেছে কিনা এটা বলতে পারিনা ।তবে আগে তাকে খুঁজে পাওয়া দরকার ,জানা দরকার সে কোন বিপদে পড়েছে কিনা!”
বাসাইল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি)আলমগীর কবির বলেন,“১৮ অক্টোবর পর্যন্ত তার লোকেশন চাঁদপুরে দেখা গেছে।তার সন্ধানে আমাদের প্রযুক্তিগত ও আন্যান অনুসন্ধান অব্যহত আছে।খুব শিঘ্রই তার সন্ধান বের করতে পারবো বলে আশা করছেন।