ময়মনসিংহে সারের ডিলার নিয়োগে অর্থ লেনদেন ও স্বজনপ্রীতির অভিযোগ
সারাদেশ · 2026-10-25T05:44:13.000000Z · স্টাফ রিপোর্টার
ময়মনসিংহে সারের ডিলার নিয়োগকে কেন্দ্র করে বিভিন্ন উপজেলায় অনিয়ম, স্বজনপ্রীতি ও অর্থ লেনদেনের অভিযোগ উঠেছে। কোথাও নিয়োগ পাওয়া ব্যক্তির যোগ্যতা ও নীতিমালা অনুসরণ নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন আবেদনকারীরা, কোথাও অর্থ লেনদেনের অভিযোগ উঠেছে, আবার কোথাও নিয়োগ বাতিলের দাবিতে বিক্ষোভ ও প্রতিবাদ কর্মসূচি পালন করা হয়েছে। হালুয়াঘাট, গৌরীপুর, ঈশ্বরগঞ্জ, গফরগাঁও ও ফুলপুরসহ বিভিন্ন উপজেলায় এ নিয়ে অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। অভিযোগের তীর স্থানীয় রাজনৈতিক নেতাদের পাশাপাশি প্রশাসনের দিকেও। তবে জেলা প্রশাসনের দাবি, নির্ধারিত নীতিমালা অনুসরণ করেই সারের ডিলার নিয়োগের সুপারিশ করা হয়েছে।
কৃষকের কাছে সার সরবরাহের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেন সারের ডিলাররা। ফলে এ পদে নিয়োগের স্বচ্ছতা ও যোগ্যতার বিষয়টি কৃষি উপকরণ বিতরণ ব্যবস্থার জন্য গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু নিয়োগের তালিকা প্রকাশের পর বিভিন্ন উপজেলায় রাজনৈতিক পরিচয়, ব্যবসায়িক অভিজ্ঞতা, স্বজনপ্রীতি ও কথিত অর্থ লেনদেন নিয়ে অভিযোগ সামনে এসেছে। কোথাও নিয়োগ বাতিলের দাবি উঠেছে, কোথাও আবেদনকারীরা সংবাদ সম্মেলন ও প্রতিবাদ কর্মসূচির মাধ্যমে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন।
জেলা প্রশাসনের তথ্যমতে, গত ৩১ আগস্ট জেলার ১৪টি উপজেলার ১৪৫টি ইউনিয়নের জন্য ১৫৬ জন সারের ডিলার নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়। এতে মোট ১ হাজার ৭৪৪টি আবেদন জমা পড়ে। যাচাই-বাছাই শেষে ৯ অক্টোবর কৃষি মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইটে জেলার ইউনিয়ন, পৌরসভা ও সিটি করপোরেশন এলাকার নতুন সারের ডিলারদের তালিকা প্রকাশ করা হয়। জেলা সার ও বীজ মনিটরিং কমিটির সুপারিশ এবং সার-সংক্রান্ত কেন্দ্রীয় ব্যবস্থাপনা কমিটির অনুমোদনের ভিত্তিতে তালিকাটি চূড়ান্ত করা হয়। নিয়োগ পাওয়া ব্যক্তিদের প্রাথমিকভাবে অস্থায়ী ডিলারশিপ দেওয়া হয়েছে। তিন মাস পর্যবেক্ষণের পর সন্তোষজনক বিবেচিত হলে তা স্থায়ী করার কথা রয়েছে।
হালুয়াঘাট উপজেলার শাকুয়াই ইউনিয়নে খুচরা সার বিক্রেতা হোসাইন আহাম্মদ সালমানকে সারের ডিলার নিয়োগ দেওয়া নিয়ে আপত্তি তুলেছেন অন্য আবেদনকারী ও স্থানীয় ব্যবসায়ীরা। তাঁদের অভিযোগ, নিয়োগের ক্ষেত্রে নির্ধারিত নীতিমালা যথাযথভাবে অনুসরণ করা হয়নি।
স্থানীয় ব্যবসায়ী সুমন সরকারের দাবি, মেসার্স সালমান ইসলামীয়া স্টোরের স্বত্বাধিকারী হোসাইন আহাম্মদ সালমান আগে থেকেই খুচরা সার বিক্রির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। এ অবস্থায় তাঁকে কীভাবে নতুন করে ডিলার নিয়োগ দেওয়া হলো, তা তদন্ত করে দেখা প্রয়োজন। প্রশাসনকে ম্যানেজ করে তিনি ডিলারশিপ পেয়েছেন বলেও অভিযোগ করেন সুমন সরকার।
তবে হোসাইন আহাম্মদ সালমানের দাবি, তাঁর বাবার মৃত্যুর পর ২০০৮ সাল থেকে তিনি ব্যবসা পরিচালনা করছেন। নতুন ডিলারশিপ পাওয়ার আগে খুচরা ডিলারশিপ প্রত্যাহার করে নিয়েছেন এবং এ-সংক্রান্ত টাকা তুলে নিয়েছেন বলেও দাবি করেন তিনি। তবে এ বিষয়ে তিনি কোনো প্রমাণ দেখাতে পারেননি।
শাকুয়াই ইউনিয়নে ডিলারশিপের আবেদন করেছিলেন ইউনিয়ন বিএনপির সদস্য আবুল খায়ের। তিনি বলেন, নীতিমালা অনুযায়ী প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জমা দিয়েও তিনি নিয়োগ পাননি। তাঁর দাবি, নিয়োগ পাওয়া ব্যক্তি খুচরা ডিলার হিসেবে বহাল থাকলে তাঁর ডিলারশিপ বাতিল করা হোক। আর নিয়ম অনুযায়ী যোগ্য হলে নিয়োগ বহাল থাকুক। বিষয়টির সুষ্ঠু তদন্ত দাবি করেন তিনি।
সদ্য বিদায়ী হালুয়াঘাট উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মাহবুবুর রহমান বলেন, ওই খুচরা ডিলারের ডিলারশিপ বাতিল হয়নি। এ বিষয়ে প্রত্যাহারের কোনো আবেদনও তাঁর কাছে জমা পড়েনি। খুচরা ডিলার থাকা অবস্থায় কীভাবে তিনি নতুন ডিলারশিপ পেয়েছেন, তা জেলা কর্তৃপক্ষ বলতে পারবে।
ফুলপুর উপজেলার ভাইটকান্দি ইউনিয়নে সারের ডিলার হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন মেসার্স সাদিকা ট্রেডার্সের স্বত্বাধিকারী মো. সাখাওয়াত হোসেন। তিনি খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির চালের ডিলার এবং ধান-চালের ব্যবসায়ী। তবে তাঁর সার বিক্রির অভিজ্ঞতা নেই বলে অভিযোগ স্থানীয় বিএনপি নেতাদের।
১৭ অক্টোবর ফুলপুর বাসস্ট্যান্ডে ‘ভাইটকান্দি ইউনিয়নের সর্বস্তরের কৃষক ও জনগণ’-এর ব্যানারে প্রতিবাদ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। এতে স্থানীয় বিএনপির নেতা-কর্মীরা সাখাওয়াতকে আওয়ামী লীগের সমর্থক আখ্যা দিয়ে তাঁর নিয়োগ বাতিলের দাবি জানান।
ভাইটকান্দি ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক আবদুর রহমান বলেন, প্রকৃত সার ব্যবসায়ী না হওয়া সত্ত্বেও সাখাওয়াতকে ডিলার নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। আর্থিক লেনদেন ছাড়া এমন নিয়োগ হওয়ার কথা নয় বলেও দাবি করেন তিনি। তাঁর অভিযোগ, নিয়োগ বাতিল করে বিএনপির ত্যাগী ব্যবসায়ীদের নিয়োগ দেওয়া উচিত।
তবে সাখাওয়াত হোসেন দাবি করেন, তিনি কখনো কোনো রাজনৈতিক দলের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন না। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ব্যবহার করে তাঁর ছবি তৈরি করে বিভ্রান্তি ছড়ানো হচ্ছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি। নিজের যোগ্যতা অনুযায়ীই সারের ডিলারশিপ পেয়েছেন বলে দাবি তাঁর।
গৌরীপুরে সারের ডিলার নিয়োগে অর্থ লেনদেনের অভিযোগ তুলেছেন মেসার্স মুন্সী এন্টারপ্রাইজের স্বত্বাধিকারী ও পৌর কৃষক দলের সভাপতি মো. গোলাম কাজীয়েল হাজাত শাহী মুন্সী।
১২ অক্টোবর গৌরীপুর প্রেসক্লাবে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি অভিযোগ করেন, প্রতিটি ডিলার নিয়োগে ১৫ থেকে ২০ লাখ টাকার অলিখিত বাণিজ্য হয়েছে। এ ঘটনায় উপজেলা বিএনপির শীর্ষ নেতারা জড়িত বলেও দাবি করেন তিনি।
শাহী মুন্সীর অভিযোগ, লটারিতে প্রথম স্থান অর্জন করেও তিনি ডিলারশিপ পাননি। এমনকি লটারিতে বিজয়ীদের নামও পরিবর্তন করা হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি।
তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি। অভিযোগগুলোর সত্যতা স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।
গফরগাঁওয়ে সারের ডিলার নিয়োগের তালিকায় স্থানীয় সংসদ সদস্য মোহাম্মদ আক্তারুজ্জামানের পরিবারের সদস্য ও স্বজনদের নাম থাকায় প্রশ্ন উঠেছে।
প্রকাশিত তালিকা অনুযায়ী, উপজেলার লংগাইর ইউনিয়নে মেসার্স এসএম এন্টারপ্রাইজের নামে ডিলারশিপ পেয়েছেন মো. মনিরুজ্জামান। তিনি সংসদ সদস্যের আপন ছোট ভাই এবং দক্ষিণ গফরগাঁও উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক।
উস্থি ইউনিয়নে ডিলারশিপ পেয়েছেন সংসদ সদস্যের মামা মো. মনিরুজ্জামান জসিম। তাঁর প্রতিষ্ঠানের নাম জাহিদুল স্যানিটারি অ্যান্ড হার্ডওয়্যার। অন্যদিকে, যশরা ইউনিয়নে ডিলারশিপ পেয়েছে সেলিম ট্রেডার্স। প্রতিষ্ঠানটির স্বত্বাধিকারী মো. সোহেল রানা গফরগাঁও উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্যসচিব। স্থানীয়ভাবে তিনি সংসদ সদস্যের চাচাতো শ্যালক পরিচয় দিয়ে বিভিন্ন কাজ করেন বলেও অভিযোগ রয়েছে।
নিজের ভাই ও স্বজনদের ডিলারশিপ পাওয়া নিয়ে প্রশ্নের জবাবে সংসদ সদস্য মোহাম্মদ আক্তারুজ্জামান বাচ্চু বলেন, রাজনৈতিক ত্যাগ, ব্যবসায়িক যোগ্যতা, প্রয়োজনীয় কাগজপত্র এবং গুদাম নির্মাণের সক্ষমতা যাচাই করেই ডিলার নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। তাঁর ভাষ্য, তাঁর কোনো চাচাতো শ্যালক নেই। তাঁর ভাই ও মামা নিজেদের যোগ্যতায় ডিলারশিপ পেয়েছেন।
ময়মনসিংহ-৮ (ঈশ্বরগঞ্জ) আসনের সংসদ সদস্য লুৎফুল্লাহেল মাজেদ নিজের ফেসবুক পোস্টে প্রশাসনের একাংশের বিরুদ্ধে অর্থ নেওয়ার অভিযোগ তুলেছেন। তিনি লিখেন, ‘কে কোথা থেকে কত পার্সেন্ট টাকা নেয়, তা আমি জানি।’
রাজনৈতিক নেতা-কর্মীরা মামলা-হামলার শিকার হবেন, অথচ অর্থের বিনিময়ে সার ডিলারশিপ দেওয়া হবে—এমনটা হতে পারে না বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
এদিকে, সারের ডিলার নিয়োগ নিয়ে অসন্তোষ জানিয়ে বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্স ৯ অক্টোবর নিজের ফেসবুক পোস্টে অভিযোগ করেন, হালুয়াঘাট ও ধোবাউড়াসহ বিভিন্ন উপজেলার কয়েকটি ইউনিয়নে ফ্যাসিবাদের দোসরদের ডিলার নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।
প্রিন্সের দাবি, স্থানীয় প্রশাসন যাঁদের নাম তালিকার প্রথম ক্রমিকে পাঠিয়েছে, মন্ত্রণালয় তাঁদেরই নিয়োগ দিয়েছে বলে কৃষি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বশীল পর্যায়ে কথা বলে তিনি জানতে পেরেছেন। যোগ্য আবেদনকারীদের বাদ দিয়ে বিতর্কিত ব্যক্তিদের কীভাবে তালিকার প্রথমে রাখা হলো, সেই প্রশ্নও তোলেন তিনি।
নাগরিক সংগঠন ময়মনসিংহ মঞ্চের মুখ্য সমন্বয়ক ইমতিয়াজ আহমেদ বলেন, জেলায় রাজনৈতিক বিবেচনায় বেশি ডিলার নিয়োগ দেওয়া হয়েছে বলে তাঁর ধারণা। এতে অদক্ষ ব্যবসায়ীরা নিয়োগ পাওয়ার সুযোগ তৈরি হলে সার বিতরণ ব্যবস্থায় নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে। যেকোনো ক্ষেত্রে রাজনীতি ও টাকার প্রভাব থাকলে তার ফল ভালো হয় না বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
অভিযোগের বিষয়ে জেলা সার ও বীজ মনিটরিং কমিটির সভাপতি ও ময়মনসিংহের জেলা প্রশাসক মো. সাইফুর রহমান বলেন, প্রতিটি ইউনিয়নে গড়ে ১২ থেকে ১৩ জন আবেদন করেছিলেন। কিন্তু সুপারিশ করার সুযোগ ছিল একজনের জন্য। এ কারণে অন্য আবেদনকারীদের মধ্যে অসন্তোষ তৈরি হতে পারে। নীতিমালা অনুসরণ করেই নিয়োগের সুপারিশ করা হয়েছে।
জেলা প্রশাসক বলেন, নীতিমালার বাইরে কাউকে নিয়োগের জন্য বিবেচনা করা হয়েছে—এমন সুনির্দিষ্ট অভিযোগ পাওয়া গেলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। বিদ্যমান খুচরা সার ব্যবসায়ীরা ডিলার হতে পারবেন না, নীতিমালায় এমন কোনো নিষেধাজ্ঞা ছিল না বলেও দাবি করেন তিনি।
সংসদ সদস্যের স্বজনদের ডিলারশিপ পাওয়ার বিষয়ে জেলা প্রশাসক বলেন, কে কার আত্মীয়, সেটি বিবেচ্য নয়; নীতিমালায় নির্ধারিত যোগ্যতার মানদণ্ড অনুসরণ করেই প্রতিবেদন পাঠানো হয়েছে।
ডিলার নিয়োগে অর্থ লেনদেনের অভিযোগের বিষয়ে তিনি বলেন, তাঁরা এ ধরনের অভিযোগ সম্পর্কে অবগত নন। কেউ সুনির্দিষ্ট অভিযোগ দিলে তা তদন্ত করে দেখা হবে।
ময়মনসিংহের ঈশ্বরগঞ্জে পুলিশের হেফাজত থেকে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের এক নেতাকে ছিনিয়ে নেওয়ার ঘটনায় মামলা হয়েছে। এ মামলায় দুজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। আজ শনিবার তাঁদের আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।
হাসপাতালের নতুন ভবনের নিচতলায় ময়লা-আবর্জনা পড়ে থাকতে দেখে ক্ষোভ প্রকাশ করেন মন্ত্রী। এ সময় চিকিৎসক, নার্স ও অন্য কর্মীদের সময়মতো হাসপাতালে উপস্থিত না হওয়ার বিষয়েও ক্ষোভ জানান স্বাস্থ্যমন্ত্রী। দায়িত্বে অবহেলার প্রমাণ পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানান তিনি।
মামলা চলাকালে গত সাত মাস আগে আদালত নিষেধাজ্ঞা জারি করেন। পরবর্তী সময়ে আবু হানিফার আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে আদালত অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা তুলে নেয়। অন্যদিকে শামছুল হকের আবেদনের ভিত্তিতে ঈশ্বরগঞ্জ সিভিল জজ আদালতের বিচারক এ কে জেড আলম শিমুল স্থিতাবস্থার আদেশ দেন।
ময়মনসিংহের ভালুকায় ঘুমন্ত অবস্থায় সাপের ছোবলে জাহানারা বেগম (৪৫) নামের এক গৃহবধূর মৃত্যু হয়েছে। গতকাল বৃহস্পতিবার রাতে নিজ ঘরে ঘুমাতে যান জাহানারা বেগম। রাত সাড়ে ১২টার দিকে ঘুমন্ত অবস্থায় তাঁকে সাপে ছোবল দেয়। এতে ঘুম ভেঙে গেলে বিষয়টি তিনি পরিবারের সদস্যদের জানান।