তিন প্রতিষ্ঠানে পরীক্ষার্থী মাত্র ৩ জন, পাস করতে পারেননি কেউ
শিক্ষা · 2026-10-31T12:38:00.000000Z · ডেস্ক রিপোর্ট
২০২৬ সালের এইচএসসি পরীক্ষায় তিনটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে মাত্র একজন করে পরীক্ষার্থী অংশ নিয়েছিলেন। তাঁদের কেউই পাস করতে পারেননি। এ ছাড়া মোট ১৫টি প্রতিষ্ঠানের কোনো পরীক্ষার্থী উত্তীর্ণ হননি। বিপরীতে, চারটি প্রতিষ্ঠানের সব পরীক্ষার্থী পাস করেছেন।
২০২৬ সালের এইচএসসি পরীক্ষায় তিনটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে মাত্র একজন করে পরীক্ষার্থী অংশ নিয়েছিলেন। তবে ওই তিন পরীক্ষার্থীর কেউই পাস করতে পারেননি। এ ছাড়া মোট ১৫টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের কোনো পরীক্ষার্থী উত্তীর্ণ হননি। অন্যদিকে, চারটি প্রতিষ্ঠানের সব পরীক্ষার্থী পাস করেছেন।
শিক্ষা বোর্ডের প্রকাশিত ফলাফলের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, একজন করে পরীক্ষার্থী থাকা তিন প্রতিষ্ঠান হলো চাঁদপুর পৌর শহীদ জাবেদ হাই স্কুল অ্যান্ড কলেজ, কুমিল্লার লালমাই উপজেলার সুরুজ মেমোরিয়াল হাই স্কুল অ্যান্ড কলেজ এবং লক্ষ্মীপুরের ক্যামব্রিজ সিটি কলেজ। এসব প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হবে কি না, তা নিয়ে আলোচনা করা হবে বলে জানিয়েছেন কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক অধ্যাপক শফিকুল ইসলাম।
এবার মোট ১৫টি প্রতিষ্ঠানের কোনো শিক্ষার্থী পাস করতে পারেননি। বাকি ১২টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে রয়েছে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিনোদপুর ইউনিয়ন স্কুল অ্যান্ড কলেজ, কুমিল্লার বগইর গার্লস হাই স্কুল অ্যান্ড কলেজ, লক্ষ্মীপুরের তোরাবগঞ্জ হাই স্কুল অ্যান্ড কলেজ, চাঁদপুরের ডা. এম শামসুল হক মডেল কলেজ, ফেনীর বেগম শামসুন্নাহার গার্লস স্কুল অ্যান্ড কলেজ, লক্ষ্মীপুরের বীর মুক্তিযোদ্ধা ডা. মমতাজ উদ্দিন আলোকিত কলেজ, কুমিল্লার প্রফেসর সিকান্দর আলী ভূঁইয়া গার্লস হাই স্কুল অ্যান্ড কলেজ, নোয়াখালীর উপপের মডেল কলেজ, লক্ষ্মীপুর পুলিশ লাইন্স স্কুল অ্যান্ড কলেজ, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বীরগাঁও স্কুল অ্যান্ড কলেজ, লক্ষ্মীপুরের ফজু মিয়ার হাট স্কুল অ্যান্ড কলেজ এবং ফেনীর বিকন মডেল কলেজ।
অন্যদিকে, চারটি প্রতিষ্ঠানের সব পরীক্ষার্থী এবার উত্তীর্ণ হয়েছেন। প্রতিষ্ঠানগুলো হলো কুমিল্লা ক্যাডেট কলেজ, ফেনী গার্লস ক্যাডেট কলেজ, কুমিল্লার ময়নামতি ইংলিশ স্কুল অ্যান্ড কলেজ এবং মোজাফফর আলী হাই স্কুল অ্যান্ড কলেজ।
এবার কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ডের অধীনে ৪৫৬টি প্রতিষ্ঠানের ৯২ হাজার ১৬২ জন পরীক্ষার্থী এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নেন। তাঁদের মধ্যে উত্তীর্ণ হয়েছেন ৪৪ হাজার ৭২৭ জন। বোর্ডে পাসের হার ৪৮.০৪ শতাংশ। গত বছর এ হার ছিল ৪৮.৮৬ শতাংশ। এবার জিপিএ-৫ পেয়েছেন ১ হাজার ৩১৩ জন।