শ্রীমঙ্গলের সময়

ইউক্রেন যুদ্ধে রাশিয়ার হয়ে লড়তে গিয়ে উগান্ডার ২৭ নাগরিক নিহত

বিশ্ব · 2026-10-29T15:51:00.000000Z · ডেস্ক রিপোর্ট

ইউক্রেনে রুশ বাহিনীর হয়ে যুদ্ধে অংশ নিতে গিয়ে উগান্ডার অন্তত ২৭ জন নাগরিক নিহত হয়েছেন অথবা নিখোঁজ থাকায় তাঁদের মৃত বলে ধারণা করা হচ্ছে। মস্কোয় অবস্থিত উগান্ডার দূতাবাস থেকে দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে পাঠানো এক আনুষ্ঠানিক কূটনৈতিক চিঠিতে এ তথ্য উঠে এসেছে।

বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) আন্তর্জাতিক বার্তা সংস্থা রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।

রয়টার্সের হাতে আসা কূটনৈতিক চিঠিতে নিশ্চিতভাবে নিহত ১১ জন উগান্ডার নাগরিকের নাম উল্লেখ করা হয়েছে। বাকি ১৬ জনের কোনো খোঁজ পাওয়া যায়নি। তাঁদের মরদেহ উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি এবং যুদ্ধবন্দীদের তালিকাতেও তাঁদের নাম নেই বলে চিঠিতে জানানো হয়েছে।

উগান্ডার দূতাবাস জানিয়েছে, রাশিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কাছ থেকে একটি আনুষ্ঠানিক কূটনৈতিক নোটের মাধ্যমে এসব তথ্য সংগ্রহ ও নিশ্চিত করা হয়েছে। উগান্ডার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একজন জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তাও রয়টার্সের কাছে চিঠিটির সত্যতা স্বীকার করেছেন।

এ বিষয়ে মন্তব্য জানতে উগান্ডার রাজধানী কাম্পালায় অবস্থিত রুশ দূতাবাসের সঙ্গে যোগাযোগ করেছিল রয়টার্স। তবে তাৎক্ষণিকভাবে দূতাবাসের পক্ষ থেকে কোনো সাড়া পাওয়া যায়নি।

সাম্প্রতিক সময়ে উচ্চ বেতনের চাকরি কিংবা নানা সুযোগ-সুবিধার প্রলোভন দেখিয়ে আফ্রিকার বিভিন্ন দেশের তরুণদের রাশিয়ায় নিয়ে গিয়ে ইউক্রেনের যুদ্ধক্ষেত্রে পাঠানোর অভিযোগ সামনে এসেছে। এসব ঘটনায় কেনিয়া, ঘানা ও দক্ষিণ আফ্রিকার মতো দেশগুলোতে উদ্বেগ ও ক্ষোভ তৈরি হয়েছে।

ইউক্রেন সরকারের দাবি, গত বছর পর্যন্ত আফ্রিকার অন্তত ৩৬টি দেশের ১ হাজার ৪০০ জনের বেশি নাগরিক রুশ বাহিনীর পক্ষে যুদ্ধক্ষেত্রে সক্রিয় ছিলেন। তাঁদের অনেককে প্রতারণার মাধ্যমে নিয়োগ দিয়ে যুদ্ধে পাঠানো হয়েছিল বলেও দাবি করেছে কিয়েভ।

তবে আফ্রিকার নাগরিকদের অবৈধভাবে নিয়োগ দিয়ে ইউক্রেন যুদ্ধে পাঠানোর অভিযোগ বরাবরই অস্বীকার করে আসছে মস্কো। এ পরিস্থিতিতে বিদেশি নাগরিকদের রুশ বাহিনীতে নিয়োগ, তাঁদের যুদ্ধক্ষেত্রে পাঠানো এবং নিখোঁজ বা নিহত হওয়ার ঘটনা নিয়ে আফ্রিকার বিভিন্ন দেশে উদ্বেগ বাড়ছে।

তথ্যসূত্র: রয়টার্সের প্রতিবেদন,

আরও পড়ুন

সাম্প্রতিক সংবাদ

সর্বাধিক পঠিত