শ্রীমঙ্গলের সময়

সংসদ অধিবেশন ঘিরে সংসদ ভবন এলাকায় যেসব নিষেধাজ্ঞা দিল ডিএমপি

জাতীয় · 2026-11-05T10:46:00.000000Z · ডেস্ক রিপোর্ট

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের চতুর্থ অধিবেশন সামনে রেখে জাতীয় সংসদ ভবন ও আশপাশের এলাকায় সব ধরনের অস্ত্রশস্ত্র, বিস্ফোরক ও ক্ষতিকারক পদার্থ বহন নিষিদ্ধ করেছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি)। একই সঙ্গে সভা-সমাবেশ, মিছিল, শোভাযাত্রা ও বিক্ষোভ প্রদর্শনের ওপরও নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছে। আগামী ৮ নভেম্বর রাত ১২টা থেকে সংসদের অধিবেশন শেষ না হওয়া পর্যন্ত এ নিষেধাজ্ঞা কার্যকর থাকবে।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের চতুর্থ অধিবেশন ঘিরে জাতীয় সংসদ ভবন ও আশপাশের এলাকায় বেশ কিছু নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি)। এসব এলাকার মধ্যে অস্ত্রশস্ত্র, বিস্ফোরক ও ক্ষতিকারক পদার্থ বহনের পাশাপাশি সভা-সমাবেশ, মিছিল, শোভাযাত্রা ও বিক্ষোভ প্রদর্শন নিষিদ্ধ করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) ডিএমপি কমিশনার মোসলেহ্ উদ্দিন আহমদ স্বাক্ষরিত এক গণবিজ্ঞপ্তিতে এ নিষেধাজ্ঞার কথা জানানো হয়। আগামী ৯ নভেম্বর ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের চতুর্থ অধিবেশন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।

গণবিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, শেরেবাংলা নগরে অবস্থিত জাতীয় সংসদ ভবন ও পার্শ্ববর্তী এলাকার শান্তিশৃঙ্খলা রক্ষায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ অর্ডিন্যান্সের ২৮ ও ২৯ ধারায় অর্পিত ক্ষমতাবলে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছেন ডিএমপি কমিশনার।

নিষেধাজ্ঞা আগামী ৮ নভেম্বর রোববার রাত ১২টা থেকে কার্যকর হবে। সংসদের অধিবেশন শেষ না হওয়া পর্যন্ত তা বলবৎ থাকবে।

নিষেধাজ্ঞার আওতায় থাকা এলাকার মধ্যে রয়েছে ময়মনসিংহ রোডের মহাখালী ক্রসিং থেকে পুরাতন বিমানবন্দর হয়ে বাংলামোটর ক্রসিং পর্যন্ত এলাকা। এ ছাড়া বাংলামোটর লিংক রোডের পশ্চিম প্রান্ত থেকে হোটেল সোনারগাঁও রোডের সার্ক ফোয়ারা পর্যন্ত এলাকাও এর অন্তর্ভুক্ত।

পান্থপথের পূর্ব প্রান্ত থেকে গ্রিন রোডের সংযোগস্থল হয়ে ফার্মগেট পর্যন্ত এবং মিরপুর রোডের শ্যামলী মোড় থেকে ধানমন্ডি-১৬ (পুরাতন-২৭) নম্বর সড়কের সংযোগস্থল পর্যন্ত এলাকায়ও নিষেধাজ্ঞা কার্যকর হবে।

এ ছাড়া রোকেয়া সরণির সংযোগস্থল থেকে পুরাতন ৯ম ডিভিশন (উড়োজাহাজ) ক্রসিং হয়ে বিজয় সরণি পর্যটন ক্রসিং পর্যন্ত এলাকা নিষেধাজ্ঞার আওতায় থাকবে। ইন্দিরা রোডের পূর্ব প্রান্ত থেকে মানিক মিয়া অ্যাভিনিউয়ের পশ্চিম প্রান্ত এবং জাতীয় সংসদ ভবনের সংরক্ষিত এলাকাও এর অন্তর্ভুক্ত।

গণবিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, এসব সীমানার মধ্যে থাকা সব রাস্তা ও গলিতেও নিষেধাজ্ঞা কার্যকর থাকবে। ফলে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সংশ্লিষ্ট এলাকাগুলোতে অস্ত্রশস্ত্র, বিস্ফোরক ও ক্ষতিকারক পদার্থ বহন করা যাবে না। একই সঙ্গে কোনো ধরনের সভা-সমাবেশ, মিছিল, শোভাযাত্রা বা বিক্ষোভ প্রদর্শন করা যাবে না।

আরও পড়ুন

সাম্প্রতিক সংবাদ

সর্বাধিক পঠিত