বাংলাদেশের শিক্ষায় চীনের নতুন সহযোগিতা, কোন পর্যায়ে মিলবে সুবিধা?
শিক্ষা · 2026-11-05T10:02:00.000000Z · ডেস্ক রিপোর্ট
শিক্ষা ও প্রযুক্তি খাতে চীনের সহযোগিতায় বাংলাদেশের শিক্ষাব্যবস্থার আধুনিকায়ন এবং দক্ষ মানবসম্পদ গড়ে তোলার নতুন সুযোগ তৈরি হবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। বিশেষ করে প্রাথমিক পর্যায় থেকে শিক্ষার মানোন্নয়নে এ সহযোগিতা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে বলে মনে করেন তিনি।
শিক্ষা ও প্রযুক্তিসহ বিভিন্ন খাতে বাংলাদেশ ও চীনের সহযোগিতা আরও জোরদার হবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। তিনি বলেছেন, চীনের সহযোগিতা বাংলাদেশের শিক্ষাব্যবস্থাকে আধুনিকায়ন এবং দক্ষ মানবসম্পদ গড়ে তোলার ক্ষেত্রে নতুন সম্ভাবনার দ্বার খুলে দেবে।
বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) রাজধানীর ডেমরার মাতুয়াইলে শামসুল হক খান স্কুল অ্যান্ড কলেজে ‘লাইটিং আপ দ্য ফিউচার’ স্মার্ট ক্লাসরুম অনুদান বিতরণ অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন শিক্ষামন্ত্রী।
অনুষ্ঠানে চীনের কমিউনিস্ট পার্টির কেন্দ্রীয় কমিটির আন্তর্জাতিক বিভাগের মন্ত্রী লিউ হাইশিং, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানটির অধ্যক্ষ মো. মাহবুবুর রহমান মোল্লা, পরিচালনা পর্ষদের সদস্য, শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।
শিক্ষামন্ত্রী বলেন, চীনের সহযোগিতা বাংলাদেশের শিক্ষাক্ষেত্রে নতুন দিগন্ত উন্মোচন করছে। বিশেষ করে প্রাথমিক পর্যায় থেকেই শিক্ষাব্যবস্থার আধুনিকায়ন এবং প্রযুক্তিনির্ভর শিক্ষা বিস্তারে এ সহযোগিতা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। এর মাধ্যমে ভবিষ্যতের জন্য দক্ষ মানবসম্পদ গড়ে তোলার সুযোগ তৈরি হবে।
তিনি আরও বলেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের সময় থেকেই বাংলাদেশ ও চীনের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের সূচনা। সময়ের সঙ্গে এ সম্পর্ক আরও বিস্তৃত হয়েছে। ভবিষ্যতে শিক্ষা ও প্রযুক্তিসহ বিভিন্ন খাতে পারস্পরিক সহযোগিতা বাড়লে দুই দেশের বন্ধুত্ব আরও সুদৃঢ় হবে।
অনুষ্ঠানে স্মার্ট ক্লাসরুম অনুদান কার্যক্রমের মাধ্যমে শিক্ষায় প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়ানোর প্রত্যাশা তুলে ধরা হয়। সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, এ ধরনের উদ্যোগ শিক্ষার্থীদের আধুনিক শিক্ষার সুযোগ তৈরিতে সহায়ক হতে পারে।
তবে অনুদানের আওতায় কতটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বা কতজন শিক্ষার্থী সুবিধা পাবেন, সে বিষয়ে অনুষ্ঠানে দেওয়া তথ্যের মধ্যে বিস্তারিত উল্লেখ নেই।