কারিগরি শিক্ষায় উপবৃত্তি পেতে শিক্ষার্থীদের যে কাজ করতে হবে
শিক্ষা · 2026-11-01T13:28:00.000000Z · ডেস্ক রিপোর্ট
২০২৬-২৭ অর্থবছরে উপবৃত্তি দেওয়ার লক্ষ্যে কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের তথ্য এন্ট্রি ও হালনাগাদের নির্দেশ দিয়েছে কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তর। আগামী ১৫ নভেম্বর থেকে এ কার্যক্রম শুরু হয়ে চলবে ৩০ নভেম্বর পর্যন্ত। উপবৃত্তির জন্য আবেদন করতে শিক্ষার্থীদের জন্মনিবন্ধন, অভিভাবকের জাতীয় পরিচয়পত্র, মোবাইল ব্যাংকিং হিসাবসহ প্রয়োজনীয় তথ্য ও কাগজপত্র জমা দিতে হবে।
কারিগরি শিক্ষায় উপবৃত্তি পেতে শিক্ষার্থীদের তথ্য এন্ট্রি ও হালনাগাদ করার নির্দেশ দিয়েছে কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তর। ২০২৬-২৭ অর্থবছরে উপবৃত্তি দেওয়ার লক্ষ্যে নতুন শিক্ষার্থীদের তথ্য এন্ট্রি এবং বর্তমান শিক্ষার্থীদের তথ্য হালনাগাদ করতে হবে।
রোববার (১ নভেম্বর) অধিদপ্তরের প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, আগামী ১৫ নভেম্বর থেকে এ কার্যক্রম শুরু হয়ে চলবে ৩০ নভেম্বর পর্যন্ত।
বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ড অনুমোদিত নিম্ন মাধ্যমিক (ভোকেশনাল), নিম্ন মাধ্যমিক দাখিল (ভোকেশনাল), এসএসসি (ভোকেশনাল), দাখিল (ভোকেশনাল), এইচএসসি (ভোকেশনাল), এইচএসসি (বিএমটি) এবং চার বছর মেয়াদি ডিপ্লোমা শিক্ষাক্রম পরিচালনাকারী প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা এ কার্যক্রমের আওতায় থাকবেন। এসব প্রতিষ্ঠানের ষষ্ঠ থেকে একাদশ শ্রেণি এবং ডিপ্লোমা প্রথম পর্বের শিক্ষার্থীদের জুলাই-ডিসেম্বর ২০২৬ মেয়াদের উপবৃত্তির জন্য তথ্য এন্ট্রি ও হালনাগাদ করা হবে।
বিজ্ঞপ্তিতে উপবৃত্তির জন্য যোগ্য শিক্ষার্থী বাছাইয়ে প্রতিষ্ঠানপ্রধানদের কয়েকটি নির্দেশনা অনুসরণের কথা বলা হয়েছে। যেসব নিয়মিত শিক্ষার্থী আগে ডিটিই স্টাইপেন্ড এমআইএসে অন্তর্ভুক্ত হননি, তাঁদের কাছ থেকে আবেদন আহ্বান করে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করতে হবে।
এ ছাড়া প্রতিষ্ঠানপ্রধানকে বিভাগীয় প্রধানদের নিয়ে সভা করে যোগ্য শিক্ষার্থী বাছাইয়ের প্রক্রিয়া বুঝিয়ে দিতে হবে এবং শিক্ষকদের মধ্যে দায়িত্ব বণ্টন করতে হবে। এ ক্ষেত্রে কারিগরি উপবৃত্তি নির্দেশিকা-২০২৩ অনুসরণ করতে হবে।
শর্ত পূরণকারী এবং আগে উপবৃত্তি না পাওয়া শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে স্টুডেন্ট অ্যাপ্লিকেশন ফরম (এসএএফ) পূরণ করিয়ে নিতে হবে। আবেদনকারীর জন্মনিবন্ধন সনদে বাংলা ও ইংরেজি নাম ডিজিটালি ভেরিফায়েড থাকতে হবে। পাশাপাশি বাবা, মা বা অভিভাবকের জাতীয় পরিচয়পত্র যাচাই করা থাকতে হবে।
শিক্ষার্থীর মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল অ্যাকাউন্টের কেওয়াইসি (নো ইয়োর কাস্টমার) যাচাই করা এবং অ্যাকাউন্টটি সক্রিয় থাকাও বাধ্যতামূলক। এ ছাড়া শিক্ষার্থীর উপস্থিতি বিষয়ে বিভাগীয় প্রধানের প্রত্যয়ন, অভিভাবকের আয়ের সনদ এবং বিগত শ্রেণির ফলাফলের প্রমাণক জমা দিতে হবে।
বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, উপবৃত্তির যোগ্য শিক্ষার্থীদের তালিকা প্রস্তুত, বাছাই কমিটির অনুমোদন ও রেজুলেশন গ্রহণ, আঞ্চলিক কার্যালয়ে তালিকা হাতে হাতে পাঠানো এবং নোটিশ বোর্ডে তালিকা প্রকাশের সময় নির্ধারণ করা হয়েছে ২ থেকে ৫ নভেম্বর।
প্রতিষ্ঠানের কনফিগারেশন অনলাইনে কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তরের মাধ্যমে চূড়ান্ত অনুমোদন করাতে হবে ৮ থেকে ১২ নভেম্বরের মধ্যে।
এরপর ১৫ থেকে ৩০ নভেম্বর পর্যন্ত বিদ্যমান শিক্ষার্থীদের তথ্য হালনাগাদ, নতুন শিক্ষার্থীদের তথ্য এন্ট্রি এবং আঞ্চলিক কার্যালয়ে পাঠানোর কাজ সম্পন্ন করতে হবে। যাচাই-বাছাই শেষে আঞ্চলিক কার্যালয় থেকে নতুন শিক্ষার্থীদের তথ্য কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তরে পাঠানো হবে ১ থেকে ৮ ডিসেম্বরের মধ্যে।