শ্রীমঙ্গলের সময়

লক্ষ্মীপুর সদর হাসপাতালের জরুরী বিভাগে দুই পক্ষের মারামারি, আহত ২

সারাদেশ · 2026-10-26T10:22:02.000000Z · জেলা প্রতিনিধি

লক্ষীপুর সদর হাসপাতালের জরুরী বিভাগের ভিতরে দুই-পক্ষের মধ্যে তুমুল মারামারির ঘটনা ঘটেছে। এতে দুইজন আহত হয়েছে। এবং আতংকিত হয়ে পড়েন নার্স,চিকিৎসক ও হাসপাতালে থাকা রোগীরা। পরে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপে ওই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আসে। গতকাল রাতে দালাল বাজার ডিগ্রি কলেজের ২য় বর্ষ ছাত্রদলের সভাপতি শাহেদ আলম ও তার সমর্থকদের সাথে জুয়েল হোসেন নামে এক ব্যক্তির সাথে এই মারামারির ঘটনা ঘটে। এসময়ে হাসপাতালের জিনিসপত্রও ভাংচুর করা হয়। তবে পুলিশ বলছে, বিষয়টি তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে। হাসপাতালের ভিতরে মারামারির ঘটনা কোনভাবেই কাম্য হতে পারেনা।

জুয়েল হোসেনের দাবী, তিনি হাসপাতালের জরুরী বিভাগে চিকিৎসা নিতে আসলে পূর্ব বিরোধের জেরে ছাত্রদল নেতা শাহেদ আলম ও তার সমর্থকরা তার ওপর এই অতর্কিত হামলা চালিয়ে আহত করে তাকে। কিন্তু এ বিষয়ে ছাত্রদল নেতা শাহেদ আলম কোন কথা বলতে রাজি নয়।

হাসপাতাল ও প্রত্যক্ষদতর্শী সূত্রে জানাযায়, জুয়েল হোসেন রাতে সদর হাসপাতালের জরুরী বিভাগে প্রবেশ করে। এসময় শাহেদ আলমের নেতৃত্বে ৫/৬ জনের একদল গ্রুপ জরুরী বিভাগে প্রবেশ করে জুয়েলকে বেদম মারধর শুরু করে। এরপর জুয়েল হোসেন ও শাহেদ আলম পক্ষের মধ্যে মারামারি শুরু হয়। এসময় হাসপাতালের জিনিসপত্র ও ভাংচুর করা হয়। এঘটনার পর রোগী, নার্স ও চিকিৎকদের মধ্যে আতংক ছড়িয়ে পড়ে। পরে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের সহযোগিতায় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রন করা সম্ভব হয়।

সদর হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা. অরুপ পাল বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, হাসপাতালে মানুষ আসে চিকিৎসা নিতে। সেখানে যদি চিকিৎসক ও নার্সরা নিরাপত্তাহীনতার মধ্যে থাকে। তাহলে কিভাবে চিকিৎসা দেয়া হবে। তবে কি কারনে দু-পক্ষের মধ্যে মারামারির ঘটনা ঘটেছে,সেটা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। এ বিষয়ে শাহেদ আলমকে জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি কোন কথা বলতে রাজি হননি।

সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোঃ ওয়াহিদ পারভেজ বলেন, বিষয়টি তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে। হাসপাতালের ভিতরে মারামারির ঘটনা কাম্য হতে পারেনা। এখনো কোন লিখিত অভিযোগ পাইনি।

আরও পড়ুন

সাম্প্রতিক সংবাদ

সর্বাধিক পঠিত