মনাকষা সীমান্তে ৩৫ তরুণকে মোবাইল সার্ভিসিং প্রশিক্ষণ দিচ্ছে ৫৩ বিজিবি
সারাদেশ · 2026-10-26T10:23:00.000000Z · ডেস্ক রিপোর্ট
ছয় সপ্তাহের প্রশিক্ষণে বাড়বে কারিগরি দক্ষতা, তৈরি হবে আত্মকর্মসংস্থানের সুযোগ
সীমান্তবর্তী এলাকার তরুণদের কারিগরি দক্ষতা বৃদ্ধি ও কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টির লক্ষ্যে চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জ উপজেলার মনাকষা ইউনিয়নে ছয় সপ্তাহব্যাপী মোবাইল সার্ভিসিং প্রশিক্ষণ কার্যক্রম শুরু করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। চাঁপাইনবাবগঞ্জ ব্যাটালিয়ন (৫৩ বিজিবি) আয়োজিত এ প্রশিক্ষণে ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রামের ৩৫ জন তরুণ অংশ নিচ্ছেন।
সোমবার (২৬ অক্টোবর) সকাল ১০টায় মনাকষা ইউনিয়ন পরিষদ হলরুমে প্রশিক্ষণ কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়। প্রশিক্ষণটি আগামী ৩ ডিসেম্বর পর্যন্ত চলবে।
বিজিবি সূত্রে জানা গেছে, সীমান্ত সুরক্ষা ও দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষার পাশাপাশি সীমান্তবর্তী এলাকার মানুষের আর্থসামাজিক উন্নয়নেও বিভিন্ন জনকল্যাণমূলক কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে বাহিনীটি। এরই ধারাবাহিকতায় বেকার তরুণদের কারিগরি দক্ষতা অর্জন এবং আত্মকর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরির উদ্দেশ্যে এ প্রশিক্ষণ কর্মসূচি নেওয়া হয়েছে।
প্রশিক্ষণের মাধ্যমে অংশগ্রহণকারীরা মোবাইল ফোন মেরামতের ব্যবহারিক ও কারিগরি দক্ষতা অর্জন করতে পারবেন বলে আশা করছে বিজিবি। এ দক্ষতা কাজে লাগিয়ে তাঁরা নিজ উদ্যোগে কর্মসংস্থান তৈরি করতে পারবেন। এর ফলে তরুণদের স্বাবলম্বী হওয়ার পাশাপাশি অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড থেকে দূরে থেকে নিরাপদ ও সুন্দর জীবন গড়ে তোলার সুযোগ তৈরি হবে বলে মনে করছে বাহিনীটি।
এর আগে গত ৬ সেপ্টেম্বর থেকে ১৫ অক্টোবর পর্যন্ত চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলার চরবাগডাংগা ইউনিয়ন পরিষদ হলরুমে ৩৫ জন যুবককে ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড হাউজ ওয়্যারিং প্রশিক্ষণ দেয় ৫৩ বিজিবি। ওই কর্মসূচির ধারাবাহিকতায় এবার মনাকষা ইউনিয়নে মোবাইল সার্ভিসিং প্রশিক্ষণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
প্রশিক্ষণ কার্যক্রমের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন চাঁপাইনবাবগঞ্জ ব্যাটালিয়ন (৫৩ বিজিবি) অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল কাজী মুস্তাফিজুর রহমান, পিএসসি; ৫৩ বিজিবির সহকারী পরিচালক মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম; শিবগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (তদন্ত) আনিসুর রহমান; মনাকষা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মির্জা শাহাদাৎ; স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও গণ্যমান্য ব্যক্তিরা; মনাকষা বিওপি কমান্ডারসহ বিজিবির অন্যান্য সদস্য।
বিজিবি জানিয়েছে, সীমান্তবর্তী এলাকার মানুষের বিকল্প কর্মসংস্থান সৃষ্টি, দক্ষতা বৃদ্ধি এবং জীবনমান উন্নয়নে ভবিষ্যতেও এ ধরনের জনকল্যাণমূলক কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।