শিক্ষার্থীদের ১৪ দিনের আন্দোলন, অনশনের মুখে বদলি হলেন মাকসুদা
সারাদেশ · 2026-10-26T11:32:33.000000Z · স্টাফ রিপোর্টার
জামালপুর নার্সিং ও মিডওয়াইফারি কলেজের শিক্ষার্থীদের ১৪ দিন কমপ্লিট শাটডাউন কর্মসূচি ও আমরণ অনশনের পর শেরপুর নার্সিং কলেজের সেই আলোচিত ইনচার্জ মাকসুদা ইয়াসমিনকে তার আগের কর্মস্থল শেরপুর সদর হাসপাতালে যোগদানের প্রজ্ঞাপন দিয়েছে নার্সিং ও মিডওয়াইফারি অধিদপ্তর। একইসঙ্গে জামালপুর নার্সিং ও মিডওয়াইফারি কলেজের নতুন ইনচার্জ হিসেবে রঞ্জনা থিগিদিকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।
সোমবার (২৬ অক্টোরব) সকালে নার্সিং ও মিডওয়াইফারি অধিদপ্তরের ওয়েবসাইটের এ প্রজ্ঞাপন দেওয়া হয়। পরে সোমবার বেলা ১২টার দিকে আন্দোলন প্রত্যাহার করে সাধারণ শিক্ষার্থীরা।
জানা গেছে, গত ১২ অক্টোবর শেরপুর নার্সিং কলেজের ইনচার্জ মাকসুদা ইয়াসমিনকে জামালপুর নার্সিং মিডওয়াইফারি কলেজে যোগদানের জন্য প্রজ্ঞাপন জারি করে নার্সিং ও মিডওয়াইফারি অধিদপ্তর। এরপর থেকেই মাকসুদা ইয়াসমিনকে জামালপুর নার্সিং ও মিডওয়াইফারি কলেজে যোগদানের প্রজ্ঞাপন বাতিলের দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল, ক্লাস বর্জন ও কমপ্লিট শাটডাউন কর্মসূচি পালন করে আসছিল জামালপুর নার্সিং মিডওয়াইফারি কলেজের শিক্ষার্থীরা।
সর্বশেষ গতকাল রোববার রাত ৮টা থেকে আন্দোলনকে বেগবান করতে আমরণ অনশন কর্মসূচি শুরু করেন ইফাজ মাহি, মুকছেদুল ইসলাম ও ফরহাদ তামিম নামে ওই কলেজের তিন শিক্ষার্থী। পরে সোমবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে জামালপুর নার্সিং ও মিডওয়াইফারি কলেজের ইন্সট্রাক্টর রঞ্জনা থিগিদিকে ইনচার্জের দায়িত্ব ও মাকসুদা ইয়াসমিনকে তার মূল কর্মস্থল শেরপুর সদর হাসপাতালে সিনিয়র স্টাফ নার্স হিসেবে যোগদানের জন্য প্রজ্ঞাপন জারির পর কমপ্লিট শাটডাউন ও আমরণ অনশন কর্মসূচি প্রত্যাহার করেন আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা।
আমরণ অনশনে থাকা শিক্ষার্থী মোকছেদুল ইসলাম বলেন, মাকসুদা ইয়াসমিনকে শেরপুর নার্সিং কলেজের শিক্ষার্থীরা এক মাস আন্দোলন করার পর পদত্যাগ করিয়েছিলেন। পদত্যাগ করানোর পর সেই প্রিন্সিপালকে আমাদের কলেজে বদলি করা হয়েছিল। সে একজন দুর্নীতিবাজ, অনিয়মকারী। আমরা তো একজন দুর্নীতিবাজ, একজন অনিয়মকারীকে মেনে নেব না। তাই আমাদের এ আন্দোলন ছিল। আমরা আন্দোলনে সফল হয়েছি।
নতুন দায়িত্ব পাওয়া ইনচার্জ রঞ্জনা থিগিদি বলেন, আমাকে জামালপুর নার্সিং ও মিডওয়াইফারি কলেজের ইনচার্জের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। এতে আমি অনেক খুশি, আমি যতদিন এ কলেজে থাকব আমি শিক্ষার্থীদের কল্যাণে কাজ করব।