শ্রীমঙ্গলের সময়

বিকাশ-নগদ-রকেটের অতিরিক্ত সার্ভিস চার্জ নিয়ে হাইকোর্টের শুনানি মঙ্গলবার

অর্থনীতি · 2026-11-02T15:30:00.000000Z · ডেস্ক রিপোর্ট

বিকাশ, নগদ ও রকেটের অতিরিক্ত সার্ভিস চার্জ আদায়ের বৈধতা নিয়ে করা রিটের শুনানির জন্য মঙ্গলবার দিন ধার্য করেছেন হাইকোর্ট। এর আগে গ্রাহকদের কাছ থেকে অতিরিক্ত চার্জ নেওয়া এবং সাশ্রয়ী এমএফএস সেবা নিশ্চিত করতে স্বতন্ত্র আইন প্রণয়নের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে ব্যাখ্যা চেয়ে রুল জারি করা হয়েছিল। এখনো সার্ভিস চার্জ অবৈধ ঘোষণা করা হয়নি।

বিকাশ, নগদ ও রকেটের মতো মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিস (এমএফএস) প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে গ্রাহকদের কাছ থেকে স্বেচ্ছাচারী ও অতিরিক্ত সার্ভিস চার্জ আদায়ের অভিযোগ নিয়ে করা রিটের শুনানির জন্য মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) দিন ধার্য করেছেন হাইকোর্ট। সোমবার (২ নভেম্বর) দুপুরে বিচারপতি মো. মজিবুর রহমান মিয়ার নেতৃত্বাধীন হাইকোর্ট বেঞ্চ এ দিন নির্ধারণ করেন।

আদালতে রিটের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী ওবায়দুল্লাহ আল মামুন সাকিব। তিনি নিজেই গ্রাহকদের কাছ থেকে এমএফএস সেবার অতিরিক্ত সার্ভিস চার্জ আদায়ের বিষয়টি চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে রিট আবেদনটি দায়ের করেছিলেন।

রিটে জানতে চাওয়া হয়েছে, বিকাশ, নগদ ও রকেটসহ মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিস প্রদানকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর গ্রাহকদের কাছ থেকে স্বেচ্ছাচারী ও অতিরিক্ত সার্ভিস চার্জ নেওয়া কেন অবৈধ, অসাংবিধানিক ও আইনবহির্ভূত ঘোষণা করা হবে না। এ বিষয়ে আগে জারি করা রুলের শুনানির জন্য মঙ্গলবার দিন ধার্য করা হয়েছে।

এর আগে হাইকোর্ট গ্রাহকদের কাছ থেকে এমএফএস প্রতিষ্ঠানগুলোর অতিরিক্ত সার্ভিস চার্জ আদায় কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেন। একই সঙ্গে বিশেষ করে দরিদ্র ও ব্যাংকিং সেবাবঞ্চিত জনগোষ্ঠীর জন্য যুক্তিসংগত ও সাশ্রয়ী এমএফএস চার্জ নির্ধারণের প্রয়োজনীয়তা নিয়েও প্রশ্ন তোলা হয়।

রুলে ভোক্তা সুরক্ষা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করতে একটি স্বতন্ত্র মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিস আইন প্রণয়ন করা হবে না কেন, তাও জানতে চেয়েছেন আদালত। অর্থসচিব, ডাক ও টেলিযোগাযোগ সচিব, বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরসহ সংশ্লিষ্ট বিবাদীদের চার সপ্তাহের মধ্যে রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে।

বিচারপতি মো. মজিবুর রহমান মিয়া ও বিচারপতি মো. রেজাউল করিমের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ আগে এই রুল জারি করেছিলেন। মঙ্গলবারের শুনানিতে এমএফএস প্রতিষ্ঠানগুলোর সার্ভিস চার্জের বৈধতা, গ্রাহকস্বার্থ এবং এ খাতে নিয়ন্ত্রণ ও জবাবদিহির প্রশ্নগুলো আদালতের সামনে আসতে পারে।

তবে রুল জারি বা শুনানির দিন ধার্য হওয়া মানেই বিকাশ, নগদ কিংবা রকেটের সার্ভিস চার্জ অবৈধ ঘোষণা করা হয়েছে—এমন নয়। এ বিষয়ে হাইকোর্টের চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের জন্য পরবর্তী শুনানি ও আদালতের আদেশের অপেক্ষা করতে হবে।

আরও পড়ুন

সাম্প্রতিক সংবাদ

সর্বাধিক পঠিত