শ্রীমঙ্গলের সময়

এইচএসসির খাতা চ্যালেঞ্জে এবার নম্বর কমবে না, পরের বছর কী হবে?

শিক্ষা · 2026-11-04T13:39:00.000000Z · ডেস্ক রিপোর্ট

২০২৬ সালের এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার খাতা পুনর্নিরীক্ষণে এবার কোনো শিক্ষার্থীর প্রাপ্ত নম্বর কমানো হবে না। তবে যৌক্তিক কারণে নম্বর বাড়তে পারে। আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির সভাপতি জানিয়েছেন, এ ছাড় শুধু চলতি বছরের জন্য। আগামী বছর থেকে খাতা চ্যালেঞ্জে নম্বর কমা-বাড়া দুটিই হতে পারে।

২০২৬ সালের এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষায় অসন্তুষ্ট শিক্ষার্থীদের খাতা পুনর্নিরীক্ষণের আবেদনে এবার প্রাপ্ত নম্বর কমানো হবে না। তবে কোনো শিক্ষার্থী অতিরিক্ত নম্বর পাওয়ার যোগ্য হলে তা যোগ করা হবে। চলতি বছরের জন্য শিক্ষার্থীদের এ বিশেষ ছাড় দিয়েছে শিক্ষা বোর্ড। আগামী বছর থেকে খাতা চ্যালেঞ্জে নম্বর কমতেও পারে, আবার বাড়তেও পারে।

বুধবার (৪ নভেম্বর) দৈনিক শিক্ষাডটকমকে এ তথ্য জানিয়েছেন আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির সভাপতি ও ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান প্রফেসর সৈয়দ আক্তারুজ্জামান।

তিনি বলেন, নতুন পদ্ধতিতে সরকারের নির্বাহী আদেশে এ কার্যক্রম চলছে। পরের বছর থেকে নম্বর কমতেও পারে, আবার বাড়তেও পারে। শুধু এ বছরের জন্য নম্বর কমবে না। যৌক্তিক কারণে নম্বর বাড়তে পারে।

প্রসঙ্গত, ২০২৬ সালের এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষায় ৬ লাখ ৪৬ হাজার ৬৮৫ জন পরীক্ষার্থী উত্তীর্ণ হয়েছেন। এ পরীক্ষায় মোট ১২ লাখ ৪০ হাজার ৭৯৮ জন পরীক্ষার্থী অংশ নেন। তাঁদের মধ্যে ফেল করেছেন ৫ লাখ ৯৪ হাজার ১১৩ জন। মোট পাসের হার ৫২ দশমিক ১২ শতাংশ। গত বছর পাসের হার ছিল ৫৮ দশমিক ৮৩ শতাংশ। অর্থাৎ, গত বছরের তুলনায় এ বছর পাসের হার কমেছে ৬ দশমিক ৭১ শতাংশ।

খাতা চ্যালেঞ্জের আবেদন করবেন যেভাবে

খাতা পুনর্নিরীক্ষণের আবেদন করতে শিক্ষার্থীদের https://rescrutiny.eduboardresults.gov.bd ওয়েবসাইটে প্রবেশ করতে হবে। সেখানে নির্ধারিত স্থানে রোল ও রেজিস্ট্রেশন নম্বর দিয়ে বোর্ডের নাম নির্বাচন করে ‘সাবমিট’ বাটনে ক্লিক করতে হবে।

এরপর মোবাইল নম্বর দিতে হবে। পুনর্নিরীক্ষণের ফল প্রকাশিত হলে ওই নম্বরে এসএমএস পাঠানো হবে। পরবর্তী স্ক্রিনে শিক্ষার্থীর বিষয়ভিত্তিক ফল দেখা যাবে। এক বা একাধিক বিষয়ের ফল পুনর্নিরীক্ষণের জন্য সংশ্লিষ্ট বিষয় নির্বাচন করে ‘ফি প্রদান করুন’ বাটনে ক্লিক করতে হবে।

প্রতিটি পত্রের জন্য ১৫০ টাকা হারে ফি দিতে হবে। দ্বিপত্রবিশিষ্ট বিষয়ের ক্ষেত্রে উভয় পত্রের জন্য আবেদন করতে হবে। পরবর্তী স্ক্রিনে প্রদেয় ফির পরিমাণ দেখা যাবে। বিকাশ, নগদ, ডাচ্-বাংলা ব্যাংকের রকেট, উপায় ও সোনালী সেবার মাধ্যমে ফি পরিশোধ করা যাবে। ফি পরিশোধের বিস্তারিত ধাপ ওয়েবসাইটের ‘হেল্প’ বাটনে পাওয়া যাবে।

ফি পরিশোধের পর আবেদন পোর্টালে ফিরে ‘জমা দিন’ বাটনে ক্লিক করতে হবে। ফি পরিশোধ করে একবার আবেদন জমা দেওয়ার পর আরও বিষয় যুক্ত করতে চাইলে একইভাবে আবেদন করা যাবে। তবে এ ক্ষেত্রে নতুন করে মোবাইল নম্বর দেওয়ার প্রয়োজন হবে না।

ফি পরিশোধের আগে আবেদন পরিবর্তন বা পরিমার্জনের প্রয়োজন হলে ‘মুছে ফেলুন’ বাটনে ক্লিক করে নির্বাচিত বিষয়গুলো প্রত্যাহার করে নতুন করে বিষয় নির্বাচন করা যাবে। তবে একবার ফি জমা দেওয়ার পর আবেদন করা বিষয়গুলো আর বাতিল করা যাবে না। কোনো অবস্থাতেই ফি ফেরত দেওয়া হবে না। এ ছাড়া ম্যানুয়ালি কোনো আবেদন গ্রহণ করা হবে না।

আরও পড়ুন

সাম্প্রতিক সংবাদ

সর্বাধিক পঠিত