শ্রীমঙ্গলের সময়

Galaxy S27-তে Exynos 2700-এর চমক! Snapdragon-এর চেয়েও শক্তিশালী?

প্রযুক্তি · 2026-10-26T03:45:00.000000Z · ডেস্ক রিপোর্ট

স্যামসাংয়ের নতুন ২ ন্যানোমিটার Exynos 2700 প্রসেসর প্রাথমিক Geekbench পরীক্ষায় প্রায় ১৩ হাজার মাল্টি-কোর স্কোর অর্জন করেছে বলে দাবি উঠেছে। Snapdragon-এর প্রতিদ্বন্দ্বী চিপসেটের তুলনায় এগিয়ে থাকার ইঙ্গিত পাওয়া গেলেও ফলাফল এখনো স্বাধীনভাবে যাচাই করা হয়নি। Galaxy S27 সিরিজ আগামী বছরের শুরুতে আসতে পারে, তবে বাংলাদেশে দাম, লঞ্চের তারিখ ও চিপসেট সংস্করণ এখনো নিশ্চিত নয়।

স্মার্টফোনের প্রসেসরের বাজারে কোয়ালকমের স্ন্যাপড্রাগন চিপসেটকে টেক্কা দিতে দীর্ঘদিন ধরে কাজ করছে দক্ষিণ কোরিয়ার প্রযুক্তিপ্রতিষ্ঠান স্যামসাং। এবার সেই প্রতিযোগিতায় বড় সাফল্যের ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে। প্রতিষ্ঠানটির পরবর্তী প্রজন্মের ২ ন্যানোমিটার প্রযুক্তিতে তৈরি Exynos 2700 প্রসেসর প্রাথমিক বেঞ্চমার্ক পরীক্ষায় শক্তিশালী Snapdragon 8 Elite Gen 6 সিরিজের চিপসেটকে ছাড়িয়ে গেছে বলে দাবি উঠেছে।

ফাঁস হওয়া তথ্য অনুযায়ী, Geekbench পরীক্ষায় Exynos 2700 প্রায় ১৩ হাজার মাল্টি-কোর স্কোর অর্জন করেছে। অন্যদিকে প্রতিদ্বন্দ্বী Snapdragon 8 Elite Extreme Gen 6 চিপসেটযুক্ত একটি স্মার্টফোনের স্কোর প্রায় ১১ হাজার বলে উল্লেখ করা হয়েছে।

তবে এসব ফলাফল এখনো স্বাধীনভাবে যাচাই করা হয়নি। পরীক্ষার সংস্করণ, ব্যবহৃত স্মার্টফোন এবং পরীক্ষার পরিবেশ ভিন্ন হলে ফলাফলও বদলে যেতে পারে। ফলে স্যামসাংয়ের নতুন প্রসেসর বাস্তব ব্যবহারে কতটা এগিয়ে থাকবে, তা নিশ্চিত হতে আরও অপেক্ষা করতে হবে।

Exynos 2700-এর বেঞ্চমার্ক পরীক্ষায় কী পাওয়া গেছে?

প্রযুক্তিবিষয়ক তথ্য প্রকাশকারী SemiconductorsX-এর বরাতে জানা গেছে, Exynos 2700 প্রসেসর Geekbench 6.5 পরীক্ষায় প্রায় ১৩ হাজার মাল্টি-কোর স্কোর অর্জন করেছে।

এই ফলাফল ২৫ অক্টোবর পর্যন্ত পাওয়া পরীক্ষার তথ্যের ভিত্তিতে প্রকাশ করা হয়েছে বলে দাবি করা হয়। তবে পরীক্ষায় ঠিক কোন স্মার্টফোন ব্যবহার করা হয়েছে, তা নিশ্চিত নয়। ধারণা করা হচ্ছে, সম্ভাব্য Galaxy S27 Pro মডেলে চিপসেটটি পরীক্ষা করা হয়ে থাকতে পারে।

প্রকাশিত প্রতিবেদনে Snapdragon 8 Elite Gen 6-এর তুলনায় Geekbench 6.5 পরীক্ষায় Exynos 2700-এর মাল্টি-কোর স্কোর ৪৪ শতাংশ বেশি হওয়ার দাবি করা হয়েছে। আবার Geekbench 7.0 সংস্করণে এই ব্যবধান ৩৬ শতাংশ বলে উল্লেখ করা হয়।

এখানে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, দুটি বেঞ্চমার্ক সংস্করণের ফলাফল সরাসরি তুলনা করা সব সময় যথাযথ নয়। পরীক্ষার পদ্ধতি এবং স্কোর নির্ধারণের মানদণ্ড আলাদা হতে পারে।

তাই প্রকাশিত শতাংশের পার্থক্যকে চূড়ান্ত পারফরম্যান্সের প্রমাণ হিসেবে বিবেচনা করা ঠিক হবে না।

Snapdragon 8 Elite Extreme Gen 6-এর তুলনায় কতটা এগিয়ে?

ফাঁস হওয়া তথ্যে আরও দাবি করা হয়েছে, Xiaomi 18 Pro Max স্মার্টফোনে ব্যবহৃত Snapdragon 8 Elite Extreme Gen 6 প্রসেসর Geekbench পরীক্ষায় প্রায় ১১ হাজার স্কোর অর্জন করেছে।

অন্যদিকে Exynos 2700-এর স্কোর প্রায় ১৩ হাজার বলে উল্লেখ করা হয়েছে।

এই দুটি সংখ্যার মধ্যে পার্থক্য প্রায় দুই হাজার পয়েন্ট। ১১ হাজারকে ভিত্তি ধরলে Exynos-এর স্কোর প্রায় ১৮ শতাংশ বেশি হয়। যদিও মূল প্রতিবেদনে পরীক্ষাভেদে ১৫ থেকে ২০ শতাংশের মতো ব্যবধানের কথাও বলা হয়েছে।

এই অসংগতি থেকে বোঝা যায়, প্রকাশিত বেঞ্চমার্ক তথ্যের আরও যাচাই প্রয়োজন।

এ ছাড়া প্রতিবেদনের শিরোনামে গ্রাফিকস পারফরম্যান্সে এগিয়ে থাকার দাবি থাকলেও নির্দিষ্ট GPU বেঞ্চমার্ক স্কোর বা পরীক্ষার বিস্তারিত তথ্য দেওয়া হয়নি।

ফলে Exynos 2700 গ্রাফিকস পারফরম্যান্সে স্ন্যাপড্রাগনের তুলনায় কতটা শক্তিশালী, তা এখনই নিশ্চিত করে বলা যাচ্ছে না।

২ ন্যানোমিটার প্রযুক্তিতে কী সুবিধা পাওয়া যেতে পারে?

Exynos 2700-এর অন্যতম আলোচিত বৈশিষ্ট্য হচ্ছে এর সম্ভাব্য ২ ন্যানোমিটার উৎপাদন প্রযুক্তি।

সেমিকন্ডাক্টর শিল্পে উন্নত উৎপাদন প্রযুক্তি ব্যবহার করে একই জায়গায় আরও বেশি ট্রানজিস্টর স্থাপন এবং বিদ্যুৎ ব্যবহারের দক্ষতা বাড়ানোর সুযোগ তৈরি হয়।

এর ফলে প্রসেসরের কার্যক্ষমতা বাড়ানো এবং বিদ্যুৎ খরচ নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব হতে পারে। তবে শুধু ২ ন্যানোমিটার প্রযুক্তি ব্যবহার করলেই কোনো প্রসেসর অন্যটির তুলনায় বেশি শক্তিশালী হবে, এমন নিশ্চয়তা নেই।

চিপসেটের নকশা, CPU ও GPU আর্কিটেকচার, মেমোরি ব্যবস্থাপনা, তাপ নিয়ন্ত্রণ এবং সফটওয়্যার অপটিমাইজেশনের ওপরও পারফরম্যান্স অনেকাংশে নির্ভর করে।

বিশেষ করে বাংলাদেশের মতো গরম আবহাওয়ার দেশে দীর্ঘ সময় গেমিং, ভিডিও রেকর্ডিং কিংবা ভারী অ্যাপ ব্যবহারের সময় স্মার্টফোন কতটা গরম হয়, সেটিও ব্যবহারকারীদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।

নতুন Exynos 2700 এসব ক্ষেত্রে কতটা উন্নতি দেখাতে পারবে, তা বাণিজ্যিক স্মার্টফোনে পরীক্ষা না করা পর্যন্ত জানা যাবে না।

Galaxy S27 সিরিজের কোন মডেলে থাকবে Exynos 2700?

প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, স্যামসাংয়ের পরবর্তী ফ্ল্যাগশিপ Galaxy S27 সিরিজের একাধিক মডেলে Exynos 2700 প্রসেসর ব্যবহার করা হতে পারে।

বিশেষ করে Galaxy S27, Galaxy S27+ এবং সম্ভাব্য Galaxy S27 Pro মডেল বিশ্বের অধিকাংশ বাজারে এই চিপসেট নিয়ে আসতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

এদিকে Galaxy S27 Ultra মডেলেও নিজস্ব Exynos প্রসেসর ব্যবহারের সম্ভাবনা বিবেচনা করছে স্যামসাং—এমন দাবি রয়েছে।

তবে Ultra মডেলের প্রসেসর নিয়ে এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের তথ্য পাওয়া যায়নি।

স্যামসাং অতীতেও অঞ্চলভেদে একই Galaxy S সিরিজের স্মার্টফোনে Exynos এবং Snapdragon প্রসেসর ব্যবহার করেছে। ফলে নতুন সিরিজেও বাজারভেদে চিপসেটের পার্থক্য থাকতে পারে।

বাংলাদেশে আনুষ্ঠানিকভাবে কোন প্রসেসরযুক্ত সংস্করণ পাওয়া যাবে, সে বিষয়ে এখনো কোনো নিশ্চিত ঘোষণা নেই।

Galaxy S27 Pro কি নতুন চমক হতে যাচ্ছে?

প্রকাশিত প্রতিবেদনে Galaxy S27 Pro নামের একটি সম্ভাব্য নতুন মডেলের কথা উল্লেখ করা হয়েছে।

এটি সত্যি হলে স্যামসাংয়ের ফ্ল্যাগশিপ স্মার্টফোনের তালিকায় নতুন একটি সংস্করণ যুক্ত হতে পারে।

তবে Galaxy S27 Pro-এর অস্তিত্ব, চূড়ান্ত নাম, ডিজাইন কিংবা বাজারে আসার বিষয়টি এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত নয়।

এই মডেলে Exynos 2700 পরীক্ষা করা হয়েছে বলেও যে ধারণা প্রকাশ করা হয়েছে, সেটির পক্ষে নির্দিষ্ট ডিভাইস শনাক্তকরণ তথ্য সামনে আসেনি।

ফলে Galaxy S27 Pro সম্পর্কে প্রকাশিত তথ্য আপাতত গুঞ্জন হিসেবেই বিবেচনা করা উচিত।

গেমিং ও মাল্টিটাস্কিংয়ে কতটা পরিবর্তন আসতে পারে?

প্রসেসরের মাল্টি-কোর পারফরম্যান্স বেশি হলে সাধারণত একসঙ্গে একাধিক কাজ, ভিডিও এডিটিং, ভারী অ্যাপ পরিচালনা এবং কিছু কম্পিউটিং কাজে সুবিধা পাওয়া যেতে পারে।

Exynos 2700-এর প্রকাশিত বেঞ্চমার্ক স্কোর বাস্তবেও ধরে রাখা সম্ভব হলে Galaxy S27 সিরিজের মাল্টিটাস্কিং অভিজ্ঞতায় উন্নতি দেখা যেতে পারে।

তবে স্মার্টফোনে গেমিং পারফরম্যান্স শুধু CPU স্কোরের ওপর নির্ভর করে না। GPU-এর সক্ষমতা, গেমের অপটিমাইজেশন, তাপ নিয়ন্ত্রণ এবং দীর্ঘ সময় স্থিতিশীল পারফরম্যান্স ধরে রাখার ক্ষমতাও সমান গুরুত্বপূর্ণ।

একইভাবে বেঞ্চমার্ক পরীক্ষায় বেশি স্কোর পাওয়া মানেই ব্যাটারি ব্যাকআপ বেশি হবে, এমন নয়।

প্রসেসর কতটা বিদ্যুৎ ব্যবহার করছে এবং স্মার্টফোনের সফটওয়্যার কীভাবে সেটি নিয়ন্ত্রণ করছে, তার ওপর ব্যাটারি ব্যবহারের অভিজ্ঞতা নির্ভর করবে।

স্যামসাং কেন Exynos 2700-এর ওপর এত গুরুত্ব দিচ্ছে?

স্যামসাং শুধু স্মার্টফোন নির্মাতা নয়, বিশ্বের অন্যতম বড় সেমিকন্ডাক্টর প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানও।

নিজস্ব Exynos প্রসেসরের উন্নয়ন সফল হলে প্রতিষ্ঠানটি ফ্ল্যাগশিপ স্মার্টফোনে বাইরের চিপ সরবরাহকারীর ওপর নির্ভরতা কিছুটা কমানোর সুযোগ পাবে।

একই সঙ্গে স্যামসাংয়ের চিপ নকশা ও উৎপাদন ব্যবসার জন্যও এটি গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, স্যামসাংয়ের মেমোরি ব্যবসা DRAM ও HBM চিপের চাহিদা থেকে সুবিধা পাচ্ছে। অন্যদিকে নন-মেমোরি বা চিপ উৎপাদন ব্যবসার আর্থিক অবস্থার উন্নতিতে Exynos 2700 গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে বলে প্রত্যাশা রয়েছে।

গত জুনে এক ব্যবস্থাপনা ব্রিফিংয়ে স্যামসাংয়ের System LSI বিভাগের প্রধান পার্ক ইয়ং-ইন জানিয়েছিলেন, Exynos 2700-এর উন্নয়ন পরিকল্পনা অনুযায়ী এগোচ্ছে এবং এটি ফ্ল্যাগশিপ মডেলে ব্যবহারের লক্ষ্য রয়েছে।

তবে কোনো চিপসেটের প্রযুক্তিগত সাফল্য সরাসরি সংশ্লিষ্ট ব্যবসার মুনাফা নিশ্চিত করে না। উৎপাদন খরচ, কার্যকর চিপের উৎপাদনহার এবং বাজারে গ্রহণযোগ্যতাও গুরুত্বপূর্ণ।

বাংলাদেশে Galaxy S27-এর দাম কত হতে পারে?

বাংলাদেশের স্মার্টফোন ব্যবহারকারীদের কাছে নতুন Galaxy S27 সিরিজের সম্ভাব্য দাম একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন।

তবে এখন পর্যন্ত Galaxy S27, Galaxy S27+, সম্ভাব্য Galaxy S27 Pro কিংবা Galaxy S27 Ultra-এর আনুষ্ঠানিক বাংলাদেশি মূল্য প্রকাশ করা হয়নি।

এমনকি আন্তর্জাতিক বাজারেও এই মডেলগুলোর চূড়ান্ত মূল্য নিশ্চিত নয়।

ফলে এখনই নির্দিষ্ট কোনো অঙ্ককে Galaxy S27-এর সম্ভাব্য বাংলাদেশি দাম হিসেবে উল্লেখ করা বিভ্রান্তিকর হতে পারে।

বাংলাদেশে স্মার্টফোনের চূড়ান্ত মূল্য নির্ভর করতে পারে আন্তর্জাতিক বাজারমূল্য, ডলারের বিনিময় হার, আমদানি ব্যয়, কর এবং স্থানীয় বিপণননীতির ওপর।

এ ছাড়া আনুষ্ঠানিকভাবে বাজারজাত করা সংস্করণ ও অনানুষ্ঠানিকভাবে আমদানি করা সংস্করণের দামের মধ্যেও পার্থক্য থাকতে পারে।

Galaxy S27 কবে বাংলাদেশে আসতে পারে?

ফাঁস হওয়া তথ্য অনুযায়ী, স্যামসাং আগামী বছরের জানুয়ারির শেষ দিকে অথবা ফেব্রুয়ারির শুরুতে Galaxy S27 সিরিজ উন্মোচন করতে পারে।

বর্তমান সময় বিবেচনায় এটি ২০২৭ সালের জানুয়ারি-ফেব্রুয়ারির সম্ভাব্য সময়সীমা। তবে স্যামসাং এখনো এই উন্মোচনের নির্দিষ্ট তারিখ আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করেনি।

আন্তর্জাতিক উন্মোচনের পর বাংলাদেশে ফোনগুলো কবে পাওয়া যাবে, সেটিও নিশ্চিত নয়।

স্যামসাং বাংলাদেশ আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দিলে স্থানীয় বাজারে পাওয়া যাওয়ার সময়, প্রসেসর সংস্করণ এবং মূল্য সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা পাওয়া যাবে।

Exynos কি এবার সত্যিই Snapdragon-কে হারাতে পারবে?

Exynos 2700 নিয়ে প্রকাশিত প্রাথমিক তথ্য নিঃসন্দেহে প্রযুক্তিপ্রেমীদের আগ্রহ বাড়িয়েছে। বিশেষ করে ২ ন্যানোমিটার প্রযুক্তি এবং উচ্চ মাল্টি-কোর স্কোরের দাবি স্যামসাংয়ের নতুন প্রসেসরকে আলোচনায় এনেছে।

তবে এখন পর্যন্ত পাওয়া তথ্যের বড় অংশই ফাঁস হওয়া বেঞ্চমার্ক ফলাফল ও শিল্পসংশ্লিষ্ট সূত্রের দাবির ওপর নির্ভরশীল।

চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের জন্য একই পরীক্ষার সংস্করণ, তুলনাযোগ্য ডিভাইস, নির্ভরযোগ্য GPU ফলাফল এবং বাস্তব ব্যবহারের পারফরম্যান্স পরীক্ষা প্রয়োজন।

সবকিছু পরিকল্পনা অনুযায়ী এগোলে Galaxy S27 সিরিজে স্যামসাংয়ের নিজস্ব প্রসেসর নতুন প্রতিযোগিতা তৈরি করতে পারে। বাংলাদেশের ক্রেতাদের জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হবে শক্তিশালী পারফরম্যান্সের পাশাপাশি ভালো ব্যাটারি ব্যাকআপ, কম তাপ উৎপাদন এবং গ্রহণযোগ্য দাম।

আরও পড়ুন

সাম্প্রতিক সংবাদ

সর্বাধিক পঠিত