অন্ধ্র প্রদেশে ঘূর্ণিঝড় মুরাসুর আঘাত, প্রবল বেগে তাণ্ডব চালাচ্ছে
বিশ্ব · 2026-11-03T02:17:00.000000Z · ডেস্ক রিপোর্ট
ভারতের অন্ধ্র প্রদেশের উপকূলে আঘাত হানতে শুরু করেছে শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড় ‘মুরাসু’। সোমবার দিবাগত রাত ১টার দিকে প্রকাশম জেলার ওঙ্গোলের কাছাকাছি এলাকায় ঝড়টির স্থলভাগ অতিক্রমের প্রক্রিয়া শুরু হয়। এর প্রভাবে উপকূলীয় এলাকায় ভারী বৃষ্টি ও ঘণ্টায় ১১০ থেকে ১২০ কিলোমিটার বেগে ঝড়ো হাওয়া বইছে। পাশাপাশি কয়েকটি জেলায় জলোচ্ছ্বাসের সতর্কতা জারি করেছে ভারতের আবহাওয়া বিভাগ।
ভারতের অন্ধ্র প্রদেশের উপকূলে আঘাত হানতে শুরু করেছে শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড় ‘মুরাসু’। সোমবার দিবাগত রাত ১টার দিকে প্রকাশম জেলার ওঙ্গোলের কাছাকাছি এলাকা দিয়ে ঝড়টির স্থলভাগ অতিক্রমের প্রক্রিয়া শুরু হয়। এর প্রভাবে রাজ্যটির বিভিন্ন এলাকায় ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টিপাত হচ্ছে। একই সঙ্গে ঘণ্টায় ১১০ থেকে ১২০ কিলোমিটার বেগে ঝড়ো হাওয়া বইছে।
ভারতের আবহাওয়া বিভাগের (আইএমডি) তথ্য অনুযায়ী, সোমবার স্থানীয় সময় রাত ১টার দিকে ঘূর্ণিঝড়টির স্থলভাগ অতিক্রম শুরু হয়। ঝড়টির মেঘমালার সামনের অংশ ইতোমধ্যে উপকূলে প্রবেশ করেছে। পেছনের অংশও উপকূলের খুব কাছাকাছি অবস্থান করছে।
আইএমডির বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, রাত ১টা ৩০ মিনিটে ঘূর্ণিঝড়টি পশ্চিম-মধ্য বঙ্গোপসাগর ও সংলগ্ন দক্ষিণ অন্ধ্র প্রদেশ উপকূলের কাছে অবস্থান করছিল। তখন এটি ওঙ্গোল থেকে প্রায় ৪০ কিলোমিটার দক্ষিণ-পূর্বে, কাভালি থেকে ৬০ কিলোমিটার উত্তর-পূর্বে এবং বাপাতলা থেকে ৭০ কিলোমিটার দক্ষিণে ছিল।
আবহাওয়া বিভাগ জানিয়েছে, নেলোর ও নরসাপুরের মধ্যবর্তী ওঙ্গোলের কাছাকাছি এলাকা দিয়ে ঘূর্ণিঝড়টির পুরোপুরি স্থলভাগ অতিক্রম করার কথা। মঙ্গলবার সকাল পর্যন্ত উপকূলীয় এলাকায় ঘণ্টায় ১১০ থেকে ১২০ কিলোমিটার বেগে দমকা হাওয়া অব্যাহত থাকতে পারে।
ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে আগামী ১২ ঘণ্টা দক্ষিণ অন্ধ্র প্রদেশের উপকূলীয় এলাকায় ভারী বৃষ্টিপাতের পূর্বাভাস দিয়েছে আইএমডি। পাশাপাশি স্বাভাবিক জোয়ারের তুলনায় প্রায় ১ থেকে ১ দশমিক ৫ মিটার বেশি উচ্চতার জলোচ্ছ্বাসের আশঙ্কা করা হচ্ছে।
আবহাওয়া বিভাগের সতর্কতা অনুযায়ী, বুধবার সকাল পর্যন্ত দক্ষিণ অন্ধ্র প্রদেশের উপকূলীয় নিচু এলাকাগুলো প্লাবিত হতে পারে। বিশেষ করে বাপাতলা, কৃষ্ণা ও প্রকাশম জেলায় জলোচ্ছ্বাসের প্রভাব বেশি হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
ঘূর্ণিঝড়টির স্থলভাগ অতিক্রমের সময় উপকূলীয় এলাকায় ঝড়ো হাওয়া, ভারী বৃষ্টিপাত ও জলোচ্ছ্বাসের ঝুঁকি থাকায় পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছে ভারতের আবহাওয়া বিভাগ।