এইচএসসি ফল পেতে কোথায় যাবেন, কোন নম্বরে পাঠাবেন এসএমএস?
শিক্ষা · 2026-10-27T15:10:00.000000Z · ডেস্ক রিপোর্ট
চলতি বছরের এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল আগামী ৩১ অক্টোবর সকাল ১১টায় প্রকাশ করা হবে। পরীক্ষার্থীরা শিক্ষা বোর্ডের ওয়েবসাইট এবং মোবাইল ফোনে এসএমএসের মাধ্যমে ফল জানতে পারবেন। পুনর্নিরীক্ষণের আবেদন নেওয়া হবে ১ থেকে ৭ নভেম্বর পর্যন্ত।
চলতি বছরের এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল আগামী ৩১ অক্টোবর, শনিবার প্রকাশ করা হবে। ওইদিন সকাল ১১টায় রাজধানীর আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে আনুষ্ঠানিকভাবে ফল প্রকাশের পর পরীক্ষার্থীরা অনলাইন ও মোবাইল ফোনে খুদে বার্তার (এসএমএস) মাধ্যমে ফলাফল জানতে পারবেন।
মঙ্গলবার বাংলাদেশ আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে পরীক্ষার্থী ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য ফল সংগ্রহের পদ্ধতি জানানো হয়েছে।
অনলাইনে ফল দেখবেন যেভাবে: পরীক্ষার্থীরা শিক্ষা বোর্ডগুলোর দুটি ওয়েবসাইট—https://eduboardresults.gov.bd এবং https://educationboardresults.gov.bd—থেকে ফলাফল দেখতে ও ডাউনলোড করতে পারবেন। এ ছাড়া নিজ নিজ শিক্ষা বোর্ডের ওয়েবসাইট থেকেও ফল জানা যাবে।
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো বোর্ডের ওয়েবসাইটের ‘রেজাল্ট’ কর্নারে গিয়ে প্রতিষ্ঠানের ইআইআইএন (EIIN) নম্বর ব্যবহার করে সম্পূর্ণ ফলাফলের শিট ডাউনলোড করতে পারবে। পরীক্ষার্থীরা নিজ নিজ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকেও সরাসরি ফল সংগ্রহ করতে পারবেন।
এসএমএসে ফল জানার নিয়ম: মোবাইল ফোনের মেসেজ অপশনে গিয়ে HSC লিখে একটি স্পেস দিতে হবে। এরপর বোর্ডের নামের প্রথম তিন অক্ষর, একটি স্পেস, রোল নম্বর, একটি স্পেস দিয়ে 2026 লিখে পাঠাতে হবে 16140 নম্বরে।
উদাহরণ হিসেবে, ঢাকা বোর্ডের পরীক্ষার্থীরা HSC DHA 123456 2026 লিখে ১৬১৪০ নম্বরে এসএমএস পাঠাতে পারবেন। ফিরতি বার্তায় ফলাফল জানানো হবে।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও জানানো হয়েছে, শিক্ষা বোর্ড, শিক্ষা মন্ত্রণালয় কিংবা সংবাদপত্রের কার্যালয় থেকে সরাসরি কোনো ফলাফল বিতরণ করা হবে না। তাই পরীক্ষার্থীদের নির্ধারিত অনলাইন ও এসএমএস পদ্ধতি ব্যবহার করতে হবে।
পুনর্নিরীক্ষণের আবেদন: ফল প্রকাশের পর উত্তরপত্র পুনর্নিরীক্ষণের আবেদন গ্রহণ শুরু হবে ১ নভেম্বর থেকে। আবেদন করা যাবে ৭ নভেম্বর পর্যন্ত। এ-সংক্রান্ত বিস্তারিত নির্দেশনা সংশ্লিষ্ট শিক্ষা বোর্ডগুলোর ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হবে।
ফল প্রকাশের আগে পরীক্ষার্থীদের রোল নম্বর ও বোর্ডের নাম প্রস্তুত রাখার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে, যাতে নির্ধারিত সময়ে সহজেই ফল সংগ্রহ করা যায়।