কয়েক শতাব্দীর ঐতিহ্য কুজাইল মেলা, দ্বিতীয় দিন পরিচিত বউ মেলা নামে
সারাদেশ · 2026-10-27T10:42:04.000000Z · ডেস্ক রিপোর্ট
নওগাঁর রাণীনগরে লক্ষ্মীপূজা উপলক্ষে বসেছে ঐতিহ্যবাহী কুজাইল মেলা। ছোট যমুনা নদীর তীরে নৌবিহার, বাহারি দোকানপাট ও বিনোদনের আয়োজনের পাশাপাশি মেলার দ্বিতীয় দিন ‘বউ মেলা’ নামে পরিচিত, যা আত্মীয়তার বন্ধন ও পারিবারিক মিলনের উপলক্ষ হয়ে উঠেছে।
নওগাঁর রাণীনগরে লক্ষ্মীপূজা উপলক্ষে উৎসবমুখর পরিবেশে অনুষ্ঠিত হচ্ছে ঐতিহ্যবাহী কুজাইল মেলা। উপজেলার কাশিমপুর ইউনিয়নের কুজাইল বাজার ও ছোট যমুনা নদীর তীর ঘিরে বসা এ মেলায় নৌবিহার, বাহারি দোকানপাট, মিষ্টি, খেলনা, মাটির সামগ্রী ও বিভিন্ন বিনোদনমূলক আয়োজন দর্শনার্থীদের আকর্ষণ করছে। স্থানীয় বাসিন্দাদের পাশাপাশি আশপাশের বিভিন্ন এলাকা থেকেও মানুষ মেলায় আসছেন।
সোমবার (২৬ অক্টোবর) থেকে শুরু হওয়া তিন দিনব্যাপী এ মেলাকে ঘিরে কুজাইল বাজার এলাকায় তৈরি হয়েছে উৎসবের আমেজ। মেলা উপলক্ষে বিভিন্ন ধরনের পণ্য নিয়ে দোকানিরা পসরা সাজিয়েছেন। কোথাও মিষ্টি ও জিলাপির দোকান, কোথাও প্রসাধনসামগ্রী ও খেলনা, আবার কোথাও মাটির তৈরি বিভিন্ন সামগ্রী বিক্রি হচ্ছে। শিশুদের বিনোদনের জন্য রয়েছে নাগরদোলাসহ বিভিন্ন আয়োজন। সন্ধ্যার পর আলোকসজ্জায় মেলার পরিবেশ আরও প্রাণবন্ত হয়ে উঠছে।
মেলার অন্যতম আকর্ষণ ছোট যমুনা নদীতে নৌবিহার। লক্ষ্মীপূজা উপলক্ষে বিভিন্ন এলাকা থেকে নৌকায় করে ভক্ত ও দর্শনার্থীরা নদীতে আসেন। নৌকায় মানুষের উপস্থিতি, নদীতীরে ভিড় এবং উৎসবের আমেজে পুরো এলাকা মুখর হয়ে ওঠে। লক্ষ্মীপূজার প্রতিমা বিসর্জনকে কেন্দ্র করেও নদীতে নৌকার সমাগম ঘটে। নদীর দুই তীরে দাঁড়িয়ে নারী-পুরুষ ও শিশুরা এ আয়োজন উপভোগ করেন।
মেলাকে কেন্দ্র করে স্থানীয় ব্যবসায়ীদের মধ্যেও দেখা যায় ব্যস্ততা। বিভিন্ন ধরনের মিষ্টি, জিলাপি, খেলনা, প্রসাধনসামগ্রী, নওগাঁর রাণীনগরে লক্ষ্মীপূজা উপলক্ষে উৎসবমুখর পরিবেশে অনুষ্ঠিত হচ্ছে ঐতিহ্যবাহী কুজাইল মেলা। উপজেলার কাশিমপুর ইউনিয়নের কুজাইল বাজার ও ছোট যমুনা নদীর তীর ঘিরে বসা এ মেলায় নৌবিহার, বাহারি দোকানপাট, মিষ্টি, খেলনা, মাটির সামগ্রী ও বিভিন্ন বিনোদনমূলক আয়োজন দর্শনার্থীদের আকর্ষণ করছে। স্থানীয় বাসিন্দাদের পাশাপাশি আশপাশের বিভিন্ন এলাকা থেকেও মানুষ মেলায় আসছেন।
সোমবার (২৬ অক্টোবর) থেকে শুরু হওয়া তিন দিনব্যাপী এ মেলাকে ঘিরে কুজাইল বাজার এলাকায় তৈরি হয়েছে উৎসবের আমেজ। মেলা উপলক্ষে বিভিন্ন ধরনের পণ্য নিয়ে দোকানিরা পসরা সাজিয়েছেন। কোথাও মিষ্টি ও জিলাপির দোকান, কোথাও প্রসাধনসামগ্রী ও খেলনা, আবার কোথাও মাটির তৈরি বিভিন্ন সামগ্রী বিক্রি হচ্ছে। শিশুদের বিনোদনের জন্য রয়েছে নাগরদোলাসহ বিভিন্ন আয়োজন। সন্ধ্যার পর আলোকসজ্জায় মেলার পরিবেশ আরও প্রাণবন্ত হয়ে উঠছে।
মেলার অন্যতম আকর্ষণ ছোট যমুনা নদীতে নৌবিহার। লক্ষ্মীপূজা উপলক্ষে বিভিন্ন এলাকা থেকে নৌকায় করে ভক্ত ও দর্শনার্থীরা নদীতে আসেন। নৌকায় মানুষের উপস্থিতি, নদীতীরে ভিড় এবং উৎসবের আমেজে পুরো এলাকা মুখর হয়ে ওঠে। লক্ষ্মীপূজার প্রতিমা বিসর্জনকে কেন্দ্র করেও নদীতে নৌকার সমাগম ঘটে। নদীর দুই তীরে দাঁড়িয়ে নারী-পুরুষ ও শিশুরা এ আয়োজন উপভোগ করেন।
মেলাকে কেন্দ্র করে স্থানীয় ব্যবসায়ীদের মধ্যেও দেখা যায় ব্যস্ততা। বিভিন্ন ধরনের মিষ্টি, জিলাপি, খেলনা, প্রসাধনসামগ্রী, গৃহস্থালির পণ্য ও মাটির তৈরি সামগ্রী কিনতে দোকানে ভিড় করছেন ক্রেতারা। মেলার ঐতিহ্যের অংশ হিসেবে আত্মীয়স্বজনের বাড়িতে আসা, অতিথি আপ্যায়ন এবং কেনাকাটার মধ্য দিয়ে আশপাশের গ্রামগুলোতেও উৎসবের আবহ ছড়িয়ে পড়ে।
স্থানীয়ভাবে কুজাইল মেলা কয়েক শতাব্দীর পুরোনো ঐতিহ্য হিসেবে পরিচিত। জনশ্রুতি রয়েছে, কাশিমপুর রাজবাড়ির শাসনামলে লক্ষ্মীপূজা উপলক্ষে এ মেলার প্রচলন শুরু হয়। তবে মেলার সুনির্দিষ্ট সূচনাকাল সম্পর্কে নির্ভরযোগ্য ঐতিহাসিক তথ্য পাওয়া যায় না। দীর্ঘদিন ধরে চলে আসা এ আয়োজন এখন স্থানীয় মানুষের ধর্মীয়, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক জীবনের একটি পরিচিত অংশ।
মেলার দ্বিতীয় দিন ‘বউ মেলা’ নামেও পরিচিত। এ সময় বিভিন্ন পরিবারে মেয়ে, জামাই ও আত্মীয়স্বজনের আগমন ঘটে। অতিথি আপ্যায়নে মিষ্টি, তিলের নাড়ু, নারকেলের নাড়ুসহ নানা খাবারের আয়োজন করা হয়। ফলে মেলাটি শুধু কেনাকাটা বা বিনোদনের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে না; বরং পারিবারিক বন্ধন ও সামাজিক মিলনের উপলক্ষ হিসেবেও গুরুত্ব পায়।
সনাতন ধর্মাবলম্বীদের ধর্মীয় উৎসবকে কেন্দ্র করে আয়োজিত হলেও কুজাইল মেলায় বিভিন্ন ধর্ম ও শ্রেণি-পেশার মানুষের উপস্থিতি দেখা যায়। স্থানীয় ঐতিহ্য, নৌবিহার, গ্রামীণ ব্যবসা-বাণিজ্য এবং মানুষের পারস্পরিক মেলামেশা এ আয়োজনকে দিয়েছে স্বতন্ত্র বৈশিষ্ট্য।
সব মিলিয়ে লক্ষ্মীপূজার কুজাইল মেলা ঘিরে নওগাঁর রাণীনগরে এখন উৎসবের আমেজ। ছোট যমুনা নদীর বুকে নৌকার সমাগম আর বাজারজুড়ে হরেক রকমের দোকানপাটের দৃশ্য স্থানীয় ঐতিহ্যের পাশাপাশি গ্রামীণ বাংলার চিরচেনা উৎসবমুখর রূপ তুলে ধরছে।গৃহস্থালির পণ্য ও মাটির তৈরি সামগ্রী কিনতে দোকানে ভিড় করছেন ক্রেতারা। মেলার ঐতিহ্যের অংশ হিসেবে আত্মীয়স্বজনের বাড়িতে আসা, অতিথি আপ্যায়ন এবং কেনাকাটার মধ্য দিয়ে আশপাশের গ্রামগুলোতেও উৎসবের আবহ ছড়িয়ে পড়ে।
স্থানীয়ভাবে কুজাইল মেলা কয়েক শতাব্দীর পুরোনো ঐতিহ্য হিসেবে পরিচিত। জনশ্রুতি রয়েছে, কাশিমপুর রাজবাড়ির শাসনামলে লক্ষ্মীপূজা উপলক্ষে এ মেলার প্রচলন শুরু হয়। তবে মেলার সুনির্দিষ্ট সূচনাকাল সম্পর্কে নির্ভরযোগ্য ঐতিহাসিক তথ্য পাওয়া যায় না। দীর্ঘদিন ধরে চলে আসা এ আয়োজন এখন স্থানীয় মানুষের ধর্মীয়, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক জীবনের একটি পরিচিত অংশ।
মেলার দ্বিতীয় দিন ‘বউ মেলা’ নামেও পরিচিত। এ সময় বিভিন্ন পরিবারে মেয়ে, জামাই ও আত্মীয়স্বজনের আগমন ঘটে। অতিথি আপ্যায়নে মিষ্টি, তিলের নাড়ু, নারকেলের নাড়ুসহ নানা খাবারের আয়োজন করা হয়। ফলে মেলাটি শুধু কেনাকাটা বা বিনোদনের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে না; বরং পারিবারিক বন্ধন ও সামাজিক মিলনের উপলক্ষ হিসেবেও গুরুত্ব পায়।
সনাতন ধর্মাবলম্বীদের ধর্মীয় উৎসবকে কেন্দ্র করে আয়োজিত হলেও কুজাইল মেলায় বিভিন্ন ধর্ম ও শ্রেণি-পেশার মানুষের উপস্থিতি দেখা যায়। স্থানীয় ঐতিহ্য, নৌবিহার, গ্রামীণ ব্যবসা-বাণিজ্য এবং মানুষের পারস্পরিক মেলামেশা এ আয়োজনকে দিয়েছে স্বতন্ত্র বৈশিষ্ট্য।
সব মিলিয়ে লক্ষ্মীপূজার কুজাইল মেলা ঘিরে নওগাঁর রাণীনগরে এখন উৎসবের আমেজ। ছোট যমুনা নদীর বুকে নৌকার সমাগম আর বাজারজুড়ে হরেক রকমের দোকানপাটের দৃশ্য স্থানীয় ঐতিহ্যের পাশাপাশি গ্রামীণ বাংলার চিরচেনা উৎসবমুখর রূপ তুলে ধরছে।