রাত ৯টা পর্যন্ত শপিংমল খোলা রাখার দাবি ব্যবসায়ীদের
অর্থনীতি · 2026-11-01T11:00:00.000000Z · ডেস্ক রিপোর্ট
শীত মৌসুমে ব্যবসা-বাণিজ্যে গতি ফেরাতে রাত ৮টার পরিবর্তে ৯টা পর্যন্ত মার্কেট, বিপণিবিতান ও দোকানপাট খোলা রাখার অনুমতি চেয়েছে বাংলাদেশ দোকান মালিক সমিতি। এ বিষয়ে রোববার বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ মন্ত্রণালয়ে চিঠি দিয়েছে সংগঠনটি।
শীত মৌসুমে ব্যবসা-বাণিজ্য চাঙা করতে রাত ৮টার পরিবর্তে ৯টা পর্যন্ত শপিংমল, মার্কেট ও দোকানপাট খোলা রাখার দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ দোকান মালিক সমিতি। সংগঠনটির দাবি, রাত ৮টার মধ্যে দোকান বন্ধ রাখার সিদ্ধান্তে বেচাকেনা কমে গেছে। এতে বিশেষ করে ক্ষুদ্র ও মাঝারি ব্যবসায়ীরা আর্থিক সংকটে পড়েছেন।
রোববার বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ মন্ত্রণালয়ে পাঠানো এক চিঠিতে এ দাবি জানায় সংগঠনটি। চিঠিতে বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের লক্ষ্যে নির্ধারিত সময়ে দোকানপাট বন্ধ রাখার সিদ্ধান্তের কারণে ব্যবসা-বাণিজ্যে নেতিবাচক প্রভাব পড়ার বিষয়টি তুলে ধরা হয়েছে।
চিঠিতে বলা হয়, বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের জন্য সারা দেশের মার্কেট, বিপণিবিতান ও দোকানপাট কখনো সন্ধ্যা ৬টা, কখনো ৭টা এবং বর্তমানে রাত ৮টার মধ্যে বন্ধ করা হচ্ছে। দীর্ঘদিন ধরে এভাবে ব্যবসা পরিচালনা করায় বাণিজ্যিক কর্মকাণ্ডে মন্দাভাব তৈরি হয়েছে। অনেক দোকানে ক্রেতা না থাকায় বিক্রিবাট্টা প্রায় বন্ধ হয়ে গেছে। এমনকি ঢাকার দুটি বড় মার্কেটও বেচাকেনা না থাকায় বন্ধ হয়ে গেছে। আরও অনেক মার্কেট বন্ধ হওয়ার উপক্রম হয়েছে।
সংগঠনটির ভাষ্য, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে দোকানপাট বন্ধ রাখতে গিয়ে ব্যবসায়ীরা লোকসানের মুখে পড়ছেন। বিশেষ করে ক্ষুদ্র ও মাঝারি ব্যবসায়ীদের অবস্থা বেশি সংকটাপন্ন। দীর্ঘদিন ব্যবসা-বাণিজ্যে স্থবিরতা থাকায় তাঁদের পক্ষে দোকানভাড়া, কর্মচারীদের বেতনসহ অন্যান্য পরিচালন ব্যয় মেটানো কঠিন হয়ে পড়েছে।
চিঠিতে আরও বলা হয়, বর্তমানে বিদ্যুৎ সংকট অনেকটা কমে এসেছে। একই সঙ্গে শীত মৌসুম শুরু হতে যাচ্ছে। এ সময় ব্যবসা-বাণিজ্যে কিছুটা গতি ফেরার সম্ভাবনা রয়েছে। এ পরিস্থিতিতে ক্ষুদ্র ও মাঝারি ব্যবসায়ীদের আর্থিক দুরবস্থা বিবেচনায় নিয়ে রাত ৮টার পরিবর্তে ৯টা পর্যন্ত মার্কেট, বিপণিবিতান ও দোকানপাট খোলা রাখার অনুমতি দেওয়ার দাবি জানিয়েছে সংগঠনটি।
বাংলাদেশ দোকান মালিক সমিতির মতে, দোকান খোলা রাখার সময় এক ঘণ্টা বাড়ানো হলে ব্যবসায়ীরা বেচাকেনার অতিরিক্ত সুযোগ পাবেন। এতে ক্ষুদ্র ও মাঝারি ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানগুলো টিকে থাকার পাশাপাশি কর্মচারীদের বেতন ও অন্যান্য পরিচালন ব্যয় মেটাতে কিছুটা স্বস্তি পেতে পারে।